সংবাদ শিরোনাম :
ইনজুরি নিয়ে ভাবছে না বাংলাদেশ, কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া মূল লক্ষ্য “নো ট্রিটমেন্ট, নো রিলিজ” নির্দেশ দেন হাসিনা জয়পুরহাটে মিলেমিশে খাওয়া হলো না, বরখাস্ত ৩ খাদ্য কর্মকর্তা সারজিস-নাসীরুদ্দীনের গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে সুন্দরগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিরসরাইয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল ৩৬৭ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষককে শোকজ জুয়ার আসর থেকে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়কসহ গ্রেপ্তার ৮ আগস্টের শেষ সপ্তাহে খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার : মাহদী আমিন বাতায়নে খবর প্রকাশের পর, পালিচড়া স্টেডিয়ামের প্যাভেলিয়নের গ্লাস প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে প্রশাসন হবিগঞ্জে এনসিপির উপর হামলায় জড়িতরা ছাত্রদল নেতাকর্মী-দ্যা ডিসেন্ট 
কুরবানির ঈদ নিয়ে যা ভাবছে সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীরা

কুরবানির ঈদ নিয়ে যা ভাবছে সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীরা

ঈদ মানেই খুশি, ঈদ মানেই আনন্দ। আর পবিত্র ঈদুল আযহা মানেই ত্যাগ, আত্মশুদ্ধি ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের এক অনন্য শিক্ষা। হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর মহান কুরবানির আদর্শ মুসলিম উম্মাহকে ত্যাগের মহিমা ও মানবতার শিক্ষা দেয় যুগের পর যুগ। তাই কুরবানির ঈদ শুধু উৎসব নয়, এটি আত্মত্যাগ, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধেরও এক মহিমান্বিত প্রতীক।

 

বাতায়ন২৪ডটকম |  সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রতিনিধি | ২৭ মে ২০২৬

কুরবানির ঈদ নিয়ে ভাবনায় সোহরাওয়ার্দী কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী আনিকা তাসনিম রোদোসী বলেন, “পবিত্র ঈদুল আজহা মুসলিম উম্মাহর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে হযরত ইব্রাহীম (আ.)-এর ত্যাগের আদর্শকে স্মরণ করেই প্রতি বছর উদযাপিত হয় এই ঈদ। কোরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত এবং ইসলামী নিদর্শন ও অন্যতম ঐতিহ্য। ত্যাগ-তিতীক্ষা ও প্রিয় বস্তু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য উৎসর্গ করাই হলো কোরবানির তাৎপর্য। কেবল গোশত বিলানো ও রক্ত প্রবাহিত করার নাম কোরবানি নয়; বরং আল্লাহর রাস্তায় নিজের সম্পদের একটি অংশ বিলিয়ে দেওয়ার এক দৃপ্ত শপথের নাম কোরবানি। গোশত খাওয়ার নিয়তে কোরবানি করলে তা আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। কেননা আল্লাহ তায়ালার কাছে গোশত ও রক্তের কোনো মূল্য নেই। মূল্য আছে কেবল তাকওয়া, পরহেজগারি ও ইখলাসের।

ঈদুল আজহা মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করে। কুরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণের মাধ্যমে সমাজে সমতা ও সহমর্মিতার চর্চা বৃদ্ধি পায়। এই উৎসব ধনী-গরিবের বৈষম্য কমিয়ে পারস্পরিক ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। পবিত্র এই উৎসব সবার জীবনে শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক—এটাই সবার প্রত্যাশা।”

কুরবানির ঈদ নিয়ে ভাবনায় সোহরাওয়ার্দী কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নুরুল ইসলাম বলেন, “ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ মানে হচ্ছে ত্যাগের আনন্দ। মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী পছন্দের পশুকে আল্লাহর জন্য ত্যাগ করা। এই কোরবানির ঈদ এখন আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে অনেকটাই মিশে গেছে, যার প্রচলন শুরু হয় ১৯৪৬ সালের দিকে। এছাড়া গরু কোরবানির মাধ্যমে আমাদের দেশে ইসলামের প্রচার হয়। মুন্সিগঞ্জে এবং সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর আগমনও এই কোরবানির মাধ্যমেই। ঈদুল আজহা আমাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন তৈরি করে এবং আমাদের ইনসাফের শিক্ষা দেয়। গরিব ও দুঃখীদের আমিষের চাহিদা পূরণ করতেও এটি ব্যাপক অবদান রাখে। যা আমাদের মানবতার শিক্ষা দেয়।”

কুরবানির ঈদের শিক্ষা ও গুরুত্ব নিয়ে সোহরাওয়ার্দী কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবিদা সুলতানা মীম বলেন, “ঈদুল আজহা মুসলিম জাতির সবচেয়ে বড় উৎসবগুলোর মধ্যে একটি। এই উৎসবের মধ্য দিয়ে ধনী-গরিব সকল শ্রেণির মানুষের মধ্যে একটি সুন্দর মিলন সেতু তৈরি হয়। এ ছাড়াও আত্মীয়তার সম্পর্ক আরও গভীর হয়।

যখন আল্লাহ সবচেয়ে প্রিয় জিনিস কুরবানি করতে বললেন, হযরত ইব্রাহিম (আ.) এক মুহূর্তও দেরি করেননি। তিনি তাঁর প্রাণপ্রিয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-কে আল্লাহর পথে উৎসর্গ করতে প্রস্তুত হন। তাঁর এই মহান ত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে আল্লাহ তাআলা তাঁর পুত্রের পরিবর্তে একটি দুম্বা কুরবানি কবুল করেন। এই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে সারা বিশ্বের সামর্থ্যবান মুসলমানরা পশু কুরবানি করেন।

ধনী-গরিব ভেদাভেদ ভুলে সবাই একসঙ্গে ঈদের আনন্দ উপভোগ করেন। কুরবানির ঈদ মানুষের মাঝে ত্যাগ, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে এবং হিংসা, অহংকার ও বিদ্বেষ ভুলে মানবতার শিক্ষা দেয়।”

কুরবানির ঈদ নিয়ে ভাবনায় সোহরাওয়ার্দী কলেজের  রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী শামসুদ্দিন মিরাজ বলেন, “সকলের সাথে মিলেমিশে ঈদ উদযাপন করাই হলো ঈদের প্রকৃত আনন্দ। আল্লাহ তাআলা ঈদের মাধ্যমে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সকলের মাঝে একটি ভ্রাতৃত্বের বন্ধন তৈরি করার সুযোগ করে দিয়েছেন। ঈদুল আযহা কড়া নাড়ছে  প্রতিটি মুসলমানের দরজায়। মুসলমানরা মুখিয়ে আছে আনন্দ, উৎসবের সাথে ঈদুল আযহা পালন করার জন্য। ঈদুল ফিতরের সময় যেমন আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সাওম পালন করি, একই ভাবেই ঈদুল আযহাতেও আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যেই কোরবানি করি। কোরবানির মূল উদ্দেশ্যই মূলত তাকওয়া ও আল্লাহ ভীতি প্রদর্শন। কোরবানির ফলে সমাজে যেমন একটি ইতিবাচক বার্তা প্রেরণ করা হয়। একই সাথে অগণিত সওয়াব ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জিত হয়।বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী ও গরিবদের মাঝে কোরবানির গোশতের পাশাপাশি আনন্দ বিনিময় করার মাধ্যমে আমরা আমাদের ঈদকে ভাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করে আরও প্রাণবন্ত করতে পারি। আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ইব্রাহিম (আ) এর মতো ত্যাগ করার মনোবল আল্লাহ আমাদের সকলকেই দান করুক।”

কুরবানির ঈদ নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থী সুইটি আক্তার বলেন, “ঈদুল আযহা ইসলাম ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। বছরে একবার আসা এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনে শুধু অর্জন নয়, ত্যাগও গুরুত্বপূর্ণ।

কুরবানির ঈদ ইব্রাহিম (আ.) ও তার পুত্র ইসমাইল (আ.) এর আত্মত্যাগের স্মরণে পালিত হয়। এটি মুসলিম উম্মাহর আনুগত্য, দানশীল ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা। কোরবানির মাধ্যমে আল্লাহর কাছে রক্ত বা গোশত পৌঁছায় না পৌঁছায় শুধু তাকওয়া ও নিয়ত। জ্বিলহজ মাসের ১০ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত কোরবানির ঈদ পালিত হয়। সমাজের সব সামর্থ্যবান ব্যক্তির উচিত কোরবানি দেওয়া এবং প্রচলিত নিয়ম মেনে তা আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও গরিবের মধ্যে বণ্টন করা। নিজ এবং পরিবারের মধ্যে গোশত বিতরণ করা কোরবানির মূল উদ্দেশ্য নয় বরং সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে তা বন্টন করা উচিত। এটি ধর্মীয় বিধান নয়, বরং মানবিকতা ও ভালোবাসার পথ শিখানো এক মহৎ শিক্ষা।”

কুরবানির ঈদ নিয়ে ভাবনায় সোহরাওয়ার্দী কলেজের রসায়ন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মাহমুদা ইসলাম স্বর্ণা বলেন, “ঈদুল আযহা অর্থাৎ কুরবানির ঈদ ইসলামের ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল এক পবিত্র ধর্মীয় উৎসব। এই ঈদ মানুষের মনে আত্মত্যাগ, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে। কুরবানির ঈদ উপলক্ষে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে আনন্দের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। ঈদের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য ও সৌহার্দ্যের বন্ধন সুদৃঢ় হয়।

কুরবানির প্রকৃত তাৎপর্য হলো নিজের লোভ-লালসা ও স্বার্থপরতাকে ত্যাগ করা। এই উৎসব আমাদের মানবসেবা ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয়। কুরবানির মাংস গরীবদের মাঝে বিতরণ করার মাধ্যমে সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। ঈদের দিন আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পর্ক আরও গভীর হয়। কুরবানির ঈদ মুসলিম সমাজে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও পারস্পরিক ভালোবাসা বৃদ্ধি করে। এই পবিত্র উৎসব মানুষের হৃদয়ে শান্তি, আনন্দ ও কল্যাণের বার্তা পৌঁছে দেয়।”

কুরবানির ঈদের শিক্ষা ও গুরুত্ব নিয়ে সোহরাওয়ার্দী কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী সুরাইয়া তাসনিম নুহা বলেন, “কুরবানির ঈদ বা ঈদুল আজহা হলো ত্যাগ, আনুগত্য ও ভ্রাতৃত্বের এক মহিমান্বিত উৎসব। হযরত ইবরাহিম (আ.)-এর মহান ত্যাগের স্মরণে মুসলিম উম্মাহ এই ঈদ উদযাপন করে। কুরবানির মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং নিজের অহংকার, লোভ ও স্বার্থপরতাকে ত্যাগ করা।

কুরবানির মাধ্যমে ধনী-গরিব সবাই আনন্দ ভাগাভাগি করে, যা সমাজে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি করে। আমার মতে, এই ঈদ আরও সুন্দর হবে যদি আমরা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই, সবার সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিই এবং কুরবানির প্রকৃত শিক্ষা, ত্যাগ ও মানবতা নিজেদের জীবনে ধারণ করি।”

ঈদুল আযহার সম্পর্কে ভাবনায় সোহরাওয়ার্দী কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম বলেন, “কুরবানির ঈদ শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি ত্যাগ, মানবতা ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য নিদর্শন। কুরবানির মূল উদ্দেশ্য শুধু পশু জবাই নয়, বরং নিজের অহংকার, লোভ ও স্বার্থপরতাকে ত্যাগ করে স্রষ্টার প্রেমে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে তাকওয়া অর্জন করা। হযরত ইব্রাহিম (আ.) এবং তার পুত্র ইসমাইল (আ.) এর আল্লাহর প্রতি সীমাহীন আনুগত্য ও ত্যাগের দৃষ্টান্ত বহন করে পবিত্র কুরবানি।

এই ঈদ শুধু আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না রেখে এর মূল চেতনাকে ধারণ করা উচিত। শুধু নিজের পরিবার নয়, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের মুখেও হাসি ফোটাতে হবে।কুরবানির মাংস আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও অভাবগ্রস্তদের মাঝে বণ্টনের মাধ্যমে সমাজে ভালোবাসা ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করতে হবে। তাই কুরবানির ঈদ হোক এমন এক উৎসব, যেখানে ধর্ম, অবস্থান বা সামর্থ্যের ভেদাভেদ ভুলে সবাই মিলেমিশে মানবতার বন্ধনে আবদ্ধ হবে। অহংকার ও হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে বুকে টেনে নিয়ে ঈদের প্রকৃত আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।”

ঈদুল আযহার ঈদ নিয়ে ভাবনায় সোহরাওয়ার্দী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ শাহরিয়ার হোসেন শিহাব, “মুসলিম উম্মাহর বছরে দুইটি প্রধান উৎসব। একটি ঈদ-উল-ফিতর, অপরটি  ঈদ-উল-আজহা। ঈদ মানে আনন্দ ও খুশি। দুটি ঈদের শিক্ষা ভিন্ন। ত্যাগ, আনুগত্য, আল্লাহর প্রতি আত্নসমর্পণ এর শিক্ষা দেয় ঈদ-উল-আজহা। প্রতি চান্দ্র বর্ষের জিলহজ মাসের ১০ তারিখে  আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দ্যেশ্যে উদযাপিত হয় এই উৎসব। কুরবানির পশুর রক্ত, মাংস, চামড়ার কিছুই আল্লাহর নিকটে পৌঁছায় না, পৌঁছায় তাকওয়া। তাই কুরবানির পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজন, গরিব-দুঃখীদের সাথে মাংস ভাগাভাগির মাধ্যমে আনন্দ আদান-প্রদান এই ঈদের শিক্ষা। কুরবানির ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয়— অটুট ঈমান ও গভীর ভালোবাসাই মানুষকে ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত করে।

এই দিনে মানুষ পশু কুরবানি করার পাশাপাশি নিজের লোভ, অহংকার ও খারাপ প্রবৃত্তিকেও ত্যাগ করার শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। হারাম টাকায় সেরা পশু কুরবানির জন্য সেরা নয় বরং হালাল টাকায় প্রিয় যত্নের পশু কুরবানি করা মুখ্য। কুরবানির মাংস আত্মীয়স্বজন ও অসহায় মানুষের মধ্যে বিতরণের মাধ্যমে সমাজে ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও সাম্যের চর্চা হবে।”

বাতায়ন২৪ডটকম/আ.আ.আ

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com