সংবাদ শিরোনাম :
‘কবুল’ বলা ছাড়াও যে ৫ শব্দ উচ্চারণ করলে বিয়ে হয়ে যায় টঙ্গীতে আ.লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার যুবলীগ কর্মীর মামলায় বিএনপি নেতা কারাগারে এনসিপির ওপর আর হামলা হলে বিএনপির পরিণতি হাসিনার মতো হবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য ১০০ কোটি টাকার ফান্ড গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দৈনিক পত্রিকা প্রকাশের অনুমোদন পেল এশিয়া পোস্ট ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে ঘৃণা ছড়ানোরা যেন সুবিধা না পায়: এমপি মমতাজ আলো ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত ও বিশেষ সেল গঠনের সিদ্ধান্ত আইপিএলের মূল্য ছাড়াল রেকর্ড ২০ বিলিয়ন ডলার, সবচেয়ে দামি দল কারা? ফ্রি হার্নিয়া ও হাইড্রোসিল অপারেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন।
‘কবুল’ বলা ছাড়াও যে ৫ শব্দ উচ্চারণ করলে বিয়ে হয়ে যায়

‘কবুল’ বলা ছাড়াও যে ৫ শব্দ উচ্চারণ করলে বিয়ে হয়ে যায়

বিয়ের মাধ্যমে দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষের মধ্যে বৈধ ও পবিত্র সম্পর্ক স্থাপন হয়। এক হাদিসে রাসূল সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি বিয়ে করল, সে তার অর্ধেক ইমান (দ্বীন) পূর্ণ করে ফেলল। অতএব, বাকি অর্ধেকাংশে সে যেন আল্লাহকে ভয় করে (বায়হাকি, শুআবুল ইমান)।

অপর হাদিসে হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) এরশাদ করেন, হে যুবকরা! তোমাদের মধ্যে যে বিয়ের দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম, সে যেন বিয়ে করে। কারণ, বিয়ে করলে দৃষ্টিকে নিচু রাখা যায় এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করা যায়। আর যে ব্যক্তি বিয়ের দায়িত্ব পালন করতে পারবে না, সে যেন রোজা রাখতে থাকে। কারণ, রোজা তার খাহেশকে কমিয়ে দেবে (বুখারি, মুসলিম)।

  • ‘কবুল’ না বলেও যেসব শব্দে বিয়ে সম্পন্ন হয়

কিছু কিছু মানুষের ধারণা, বিবাহের ইজাব পেশ করার পর পাত্র যদি ‘কবুল’ শব্দ উচ্চারণ না করে তাহলে বিবাহ সহিহ হবে না। এ ধারণা ঠিক নয়। আসল বিষয় হল সম্মতি জ্ঞাপন করা। এখন কবুল শব্দ ছাড়া যদি ‘আলহামদুলিল্লাহ আমি গ্রহণ করলাম’ বা এ জাতীয় শব্দ উচ্চারণ করে তাহলেও সেটা সম্মতি বোঝাবে এবং বিবাহ সহিহ হবে। এছাড়াও আরো কিছু শব্দ উচ্চারণ কররেও বিয়ে হয়ে যাবে।

  1. ক্ববিলতু। আমি (গ্রহণ করলাম) ইজাবের জবাবে যদি বর বা কনে বলে ক্ববিলতু, তাহলে এটি পূর্ণ কবুল হিসেবে গণ্য হবে।
  2. রদ্বিতু। আমি সন্তুষ্ট / রাজি হলাম। এই শব্দটি সরাসরি কবুল না হলেও, ইজাবের পর ব্যবহার হলে তা কবুল ধরা হবে।
  3. তাজাওয়াজতুহা। আমি তাকে বিবাহ করলাম। বর নিজেই যদি বলে, অর্থাৎ, আমি অমুককে বিবাহ করলাম — তাহলে এটি বিবাহের স্পষ্ট স্বীকৃতি।
  4. আনকাহতু নাফসি ইয়্যাহু। আমি নিজেকে তার সাথে বিবাহ করলাম। এই শব্দচয়নেও কবুলের অর্থ পাওয়া যায়।
  5.  আজাযতুহু। আমি একে অনুমোদন করলাম। প্রতিনিধির মাধ্যমে করা ইজাব যদি মূল ব্যক্তি অনুমোদন করে, তাহলেও নিকাহ সহীহ।

ফতোয়ায়ে হিন্দিয়ায় বলা হয়েছে, নিকাহ সেই সব স্পষ্ট শব্দ দ্বারা জায়েয হয়, যেমন أنكحتُ, تزوجتُ, قبلتُ, رضيتُ ইত্যাদি। আর হেদায়া (২য়) খণ্ডে বলা হয়েছে,

ইজাব ও কবুল এমন শব্দে হতে হবে, যা দ্বারা স্পষ্টভাবে নিকাহ বোঝায়।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com