স্টাফ করেসপন্ডেন্ট |রংপুর| বাতায়ন২৪ডটকম
রংপুরে চাঞ্চল্যকর চার খুনের স্বীকারোক্তি দেয়া আসামি সিদ্ধার্থ এবং মুগ্ধ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদে জন্য কারাগারের গেটে প্রবেশ করেছে তদন্ত সংস্থা।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি জিন্নাত আলীসহ দুইজন ডিবি সদস্য রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের গেটে প্রবেশ করেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী তাদেরকে সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ২ এর বিচারক রফিকুল ইসলাম আসামি সিদ্ধার্থ এবং মুগ্ধ দাসকে কারাগারের গেটে দুইদিন তিন ঘন্টা করে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন। এর আগে ওই আদালতে তদন্ত কর্মকর্তা তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। কিন্তু স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়া আসামিদের ক্ষেত্রে নতুন করে রিমান্ডে নেয়ার নিয়ম না থাকায় তাদেরকে কারাগারের গেটে জিজ্ঞাসাবাদ এর অনুমতি দেয় আদালত।
গেল ২১ আগস্ট ভোর রাতে নগরীর মাছুয়াপাড়া নিজ বাড়িতে খুন হন রংপুর জিলা স্কুলের অবসরে যাওয়ার শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী তার স্ত্রী প্রীতিলতা, কন্যা আগামী এবং পুত্র প্রিয়ম চক্রবর্তী। ২২ আগস্ট রাত ১১ টা থেকে পরেরদিন ভোর পাঁচটা পর্যন্ত তাদের লাস উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ ঘটনায় ২৩ আগস্ট সিদ্ধার্থ এবং মুগ্ধ কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঐদিনই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় তারা।
এদিকে ৯ দিনের মাথায় কারাগার থেকে ইউরিনের স্যাম্পল সংগ্রহ করায় ডোপ টেস্টে আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের শরীরে মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় সীমান্ত এবং বিদ্যুৎ নামে দুইজন সাক্ষী হিসেবে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে।
চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার সাথে আরো কেউ জড়িত কিনা তা খুঁজে বের করতে রংপুরসহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন সংগ্রাম হচ্ছে।
এইচআরবি/বাতায়ন২৪ডটকম