স্টাফ করেসপন্ডেন্ট||রংপুর|| বাতায়ন২৪ডটকম||
রংপুর বিভাগের ৫ উপজেলায় পাইলটিং পর্যায়ে ৩ হাজার ২১৬ জনকে ফ্যামিলী কার্ডের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হয়েছে। এছাড়াও আর ৪৮ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আগামী মাস থেকে
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ফ্যামিলী কার্ড বাস্তবায়ন কার্যক্রম সংক্রান্ত রংপুর বিভাগীয় ফ্যামিলি কার্ড শুমারী কমিটির সভায় এই তথ্য জানানো হয়। দুপুরে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম। অংশ নেন কমিটির সদস্য অতিরিক্ত ডিআইজি (অবস). বিভাগীয় সমাজ সেবা পরিচালক জিলুফা সুলতানা, বিভাগীয় পরিসংখ্যান অফিসের যুগ্ম পরিচালক শফিকুল ইসলাম, আইসিটি বিভাগীয় কর্মকর্তা, যমুনা টেলিভিশনের রংপুর ব্যুরো প্রধান সরকার মাজহারুল মান্নান, পলাশসহ ৭ জন। সাচিবিক সহযোগিতা করেন বিভাগীয় সমাজ সেবার অফিসের সহকাপি পরিচলাক ময়নুল হক।
সভায় বলা হয়, প্রথম পর্যায়ে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জের জয়পুর ইউনিয়নের ৫৬০ জন ও ঠাকুরগাও সদরের রহিমানপুর ইউনিয়নের ৫৯০ জন; দ্বিতীয় পর্যায়ে লালমনিররহাটের সদরের কুলাঘাট ইউনিয়নে৯২০ জন ও রংপুরের পীরগঞ্জের চতরা ইউনিয়নে ৬৬৫ জন এবং তৃতীয় পর্যায়ে পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ার তেতুলিয়া ইউনিয়নে ৪৮১ জনের মাঝে সফলভাবে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন হয়েছে। এতে মোট ৩ হাজার ২১৬ জন সংযুক্ত হয়েছেন। তাদেরকে মে ও জুন মাসে ১ কোটি ৮৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকা মোবাইলের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, পাইলটিং পর্যায়ে সফলতার পর এবার রংপুর বিভাগের আট জেলায় ৪৭ লাখ ৮৬ হাজার ৯৯৮ টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহের জন্য ৭ হাজার ৭৪ জন তথ্য সংগ্রহ কারী এবং ৬৬৮ জন সুপারভাইজার নিয়োগে কার্যক্রম চলমান। ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে নিয়োগ কার্যক্রম শেষ হবে। আগামী মাস থেকে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে।
সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘ তথ্য সংগ্রহের পর পিএমটি স্টোরিং ও কোয়াইন্টাল অনুযায়ী নির্বুাচিত নির্বাচিত ভাতা ভোগিদের মাঝে প্রতিমাসে সয়ংক্রিয়ভাবে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে মোবাইলে যাবে। এরমধ্যে ব্যক্তি নয়, পরিবাবারই উন্নয়নের মূল একক দর্শনের আওতায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন হবে। সভায় স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এই কার্যক্রম চালিয়ে যেতে বিভিন্ন ধরণের দিকনির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত দেন বিভাগীয় কমিশনার।
সমামা/বাতায়ন২৪ডটকম/এইচআরবি