স্টাফ করেসপন্ডেন্ট|| বাতায়ন২৪ডটকম||
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। গুরুতর শারীরিক অসুস্থতা ও দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার উল্লেখ করে সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বিশ্বস্ত সূত্রে প্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্রের কপি থেকে এই চাঞ্চল্যকর ও ঐতিহাসিক তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
পদত্যাগপত্রের মূল কারণ:
পদত্যাগপত্রে রাষ্ট্রপতি তাঁর শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরে জানান যে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছেন। ইতোমধ্যে তাঁর হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগ পত্র।
সম্প্রতি চিকিৎসকদের শারীরিক পরীক্ষায় তাঁর শরীরে ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’ (Autonomic Neuropathy) নামক একটি বিরল ও জটিল স্নায়বিক রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের প্রভাবে তিনি মাঝেমধ্যেই ক্ষণিকের জন্য অচেতন হয়ে পড়েন। পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন:
“রোগসমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন।”
২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করা মোঃ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্রে বিগত দিনগুলোতে সততা ও সংবিধানের প্রতি পূর্ণ আনুগত্যের সাথে দায়িত্ব পালনের কথা স্মরণ করেন।
বিশেষ করে ৫ই আগস্ট ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অভূতপূর্ব শাসনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সে সময় দেশের সংবিধানে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।
এইচআরবি/ বাতায়ন২৪ডটকম/এইচআরবি