স্টাফ করেসপন্ডেন্ট| রংপুর | বাতায়ন২৪ডটকম
আমরা চাই বর্ষার পরে শুকনো মৌসুমে যাতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা কার্যকরভাবে শুরু করা যায় বলে মন্তব্য করেছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
রোববার ( ১৬ আগস্ট) সন্ধায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন এবং আইসোলেশন ওয়ার্ডের উদ্বোধন শেষে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন। এসময় সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-আরপিডিএ চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, হাসপাতাল পরিচালক বিগ্রেডিয়ার আশিকুর রহমান প্রমুখ।
এসময় দুলু মন্ত্রী বলেন, শুকনো মৌসুমে তিস্তায় তো পানি খুবই সংকট। আমরা যদি উজান থেকে পানি না পাই, পার্শ্ববর্তী দেশ যদি আমাদেরকে পানি না দেয়, তাহলে আমাদেরকে তো পানি ধরে রাখতে হবে। সেজন্য সারফেস ওয়াটার যেটা বর্ষাকালে আসবে, সেই পানিটাকে ধরে রাখব।
এসময় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা বাড়াতে জনবল নিয়োগ বিভিন্ন বিল্ডিং দ্রুত নির্মান এবং রোগি বান্ধন সেবা নিশ্চিতে নানা উদ্যোগের কথা জানান।
দুলু মন্ত্রী বলেন, ‘ এখানে অবকাঠামোর অনেক সমস্যা রয়েছে। যেহেতু পুরানো হাসপাতালের জায়গায় সংকলন হয় না, নতুন একটি ভবন ধীর গতিতে কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। সেখানে আমি চেষ্টা করতেছি যত তাড়াতাড়ি এই বিল্ডিংটির কাজ শেষ করে দিয়ে, এই যে রোগীদের যে সংকট, রোগীদের যে চাহিদা, সেটা যাতে আমরা সমাধান করতে পারি।
মন্ত্রী বলেন, ‘এই হাসপাতালের আউটসোর্সিং এ যাদেরকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, সেটাও খুবই অপ্রতুল ছিল। আমি স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে গিয়ে মিটিং করেছি। উনাকে আমি আহ্বান করেছি, যে আপনি অল্প সময়ের মধ্যে রংপুর হাসপাতাল ভিজিট করে আসেন এবং জনবল কাঠামোকে আপনি দেন। এবং আউটসোর্সিং এ এতদিন রেগুলার নিয়োগ হবে না, আউটসোর্সিং এ বরাদ্দটা আমাদের রংপুর মেডিকেলে বাড়িয়ে দেন।
দুল বলেন, আমি এটাকে সামগ্রিকভাবে আমার নজরদারিতে রাখছি। প্রতিমুহূর্তে আমি ডাইরেক্টরের সাথে কথা বলি। এখানকার ডাব্লিউডি ইঞ্জিনিয়ারের সাথে কথা বলি, যাতে করে এটার পরিচ্ছন্নতা, রোগী সেবাটার মান বাড়ানো যায়।
দুল মন্ত্রী, ‘ যার যার মতামত সে তো দিতেই পারে। আমার মতামত আমি আমার মত করে দেব। আর ইতিমধ্যে আমি যে মিটিং করে গেছি, এখানে লাইটিং এর জন্য, সিসি ক্যামেরা, এটি মনে হয় কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। আপনারা একটু অপেক্ষা করেন, আমি অনেক চেষ্টা করব যাতে করে হাসপাতালটা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
সমামা /বাতায়ন২৪ডটকম/এইচআরবি