সংবাদ শিরোনাম :
রংপুরে মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ শোভাযাত্রা ‘ঘরে ঘরে খবর দে-ভাইভা প্রথার কবর দে, বেশি মার্ক ভাইভায়- দলের লোকে চাকরি পায়,’ শ্লোগানে উত্তাল বেরোবি পীরগাছায় রাতের আঁধারে ৪১০টি পেঁপে গাছ কর্তন, ৮ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি ইসলাম অমুসলিমদের ওপর নির্যাতন বা বৈষম্য সমর্থন করে না: রংপুরে চরমোনাই পীর রংপুরে চাঞ্চল্যকর চার খুন: ১৩ দিন পর ফরেনসিক ল্যাবে জব্দকৃত আলামত, নজর এখন ডিএনএ পরীক্ষায় রংপুরে তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী আনাস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ইউএনও আমার দুই গ্রেড নিচে চাকুরি করে: পীরগাছা সোনালী ব্যাংক ম্যানেজারের বিরুদ্ধে দাম্ভিকতার অভিযোগ সকল ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে তারেক রহমানের প্ল্যান বাস্তবায়নে তৃণমূল বিএনপি: পীরগঞ্জে সাইফুল ইসলাম রংপুর জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা গোলাম মোস্তফা বাটুলের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রংপুরে জাতীয় উদ্যোক্তা সচেতনতা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত
মালয়েশিয়ায় সংগ্রামী নাসিরের গল্প

মালয়েশিয়ায় সংগ্রামী নাসিরের গল্প

ফাইল ছবি

মালয়েশিয়ার সুরিয়া কেএলসিসি (টুইন টাওয়ার)। কুয়ালালামপুরের এ টাওয়ারটি দেখতে সারা বিশ্বের পর্যটকদের ভিড় জমে প্রতিদিন। শনিবার বিকেলে কাজের ফাঁকে টুইন টাওয়ারের নিচে ফোয়ারার পাশে চিনুজ অন দ্য পার্ক রেস্তোরাঁয় বসে বন্ধুর জন্য অপেক্ষা করছিলেন এই প্রতিবেদক।

মিনিট দশেক পরই হাস্যোজ্জ্বল একজন ওয়েটার সামনে হাজির। কী খাবেন স্যার? এক কাপ কফির অর্ডার নিয়ে তিনি চলে গেলেন।

কিছুক্ষণ পরই ফিরে এসে বললেন, আপনি কি বাংলাদেশি? এই প্রতিবেদকের কাছ থেকে ‘হ্যাঁ’ জবাব পেয়ে জানালেন তিনিও বাংলাদেশি। বাড়ি তার ঝালকাঠি সদরে। নাম মো. নাসির খান।

 

নিজের পরিচয়ে নিজেই জানালেন প্রবাসে ১০ বছরের সংগ্রামী জীবনের ইতিহাস। জানালেন, তার বাবা একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। দু’ভাইয়ের মধ্যে তিনিই বড়।

২০০৮ সালে ষ্টুডেন্ট ভিসায় মালয়েশিয়ায় আসার পর থেকেই আর্থিক স্বচ্ছলতা ও শান্তির খোঁজে প্রবাসে জীবন যুদ্ধের মুখোমুখি নাসির। ২০১০ সালে ভিসা পরিবর্তন করে টুইন টাওয়ারে চাইনিজ মালয়েশিয়ান তেং-এর রেস্তেরাঁয় চিনুজ অন দ্য পার্কেই কাজ করছেন ১০ বছর ধরে। মাসে বাংলাদেশি টাকায় ৫০ হাজারের মতো বেতন তার। সব মিলিয়ে দিন এখন ভালোই যাচ্ছে তার।

কেমন আছেন মালয়েশিয়ায়- এমন প্রশ্নে নাসির বলেন, সকল প্রশংসা সৃষ্টিকর্তার। নয় তো আমার মতো একজন ক্ষুদ্র ‘ওয়েটার’ আজকে বিদেশে কাজ করে দেশে টাকা পাঠাচ্ছে। এর চেয়ে বেশি কি আশা করতে পারি?

 

নাসির যে রেস্তোরাঁটিতে কাজ করছেন সেখানে বিদেশি ক্রেতাই বেশি। তাদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় এবং সমাদৃত এ রেস্তোরাঁটি। বাংলাদেশি হিসেবেও বেশ নাম অর্জন করেছেন এই পেশায়। অর্থ সংকটও দূর হয়েছে তার।

আলাপে প্রকাশ পেল-বাবা-মায়ের প্রতি অগাত শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা রয়েছে নাসিরের। রয়েছে কৃতজ্ঞতাও। সর্বদাই বাবা-মায়ের খোঁজ রাখেন।

দেশ প্রসঙ্গে নাসির বললেন, মন সব সময় দেশেই পড়ে থাকে। বারবার বাড়ির খোঁজ খবর নেয়া লাগে।

বিদায়ের সময় আবার আসার আমন্ত্রণ জানিয়ে বললেন, ‘বাংলাদেশিদের দেখলে আত্মা শান্তি পায়।’

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com