সংবাদ শিরোনাম :
রংপুরে গণ পরিবহনের ভাড়া পুন নির্ধারন ও দোকান খোলা রাখার সময় বৃদ্ধির দাবিতে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি মূল্যবৃদ্ধির পরও ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘলাইন দীর্ঘলাইন দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড – প্রথম দিনে অনুপস্থিত ১১৭৮ জন, বহিস্কার এক রংপুরে সিমেন্টের দোকানে ৮৫ লিটার পেট্রোল-ডিজেল মজুদ:  ২০ হাজার টাকা জরিমান মানবিক বিবেচনায় সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রীর জামিন সুন্দরগঞ্জে প্রাণিসম্পদভিত্তিক আত্মকর্মসংস্থানে নবীন উদ্যোক্তাদের কর্মশালা, ওষুধ বিতরণ নারী আসনে ১৩ প্রার্থীর নাম প্রকাশ করলো জামায়াত জোট ১২তম প্রাণিবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড (রংপুর অঞ্চল)-এ প্রথম স্থান অর্জন করেছেন কারমাইকেল কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নশিন তাবাসসুম। প্রতিটি শিশুকে হামের টিকা খাওয়াতে নগরবাসির সহযোগিতা চাইলেন রংপুর সিটি প্রশাসক – ডন হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সফল করতে হবে — রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার
অবহেলিত রেলওয়ে

অবহেলিত রেলওয়ে

ফাইল ছবি

প্রথম আলোর খবর অনুযায়ী, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় অনুমোদিত ৩ হাজার ১৭১ জনবলের বিপরীতে বর্তমানে ২৮টি উপকারখানায় (শপ) কর্মরত আছেন ১ হাজার ২০৪ জন শ্রমিক-কর্মচারী। অর্থাৎ জনবল ঘাটতি ১ হাজার ৯৬৭ জন। অনেকে কমিশন পাওয়ার আশায় দেশে যন্ত্রপাতি না বানিয়ে বিদেশ থেকে আমদানি করতে বেশি উৎসাহী।

কোনো কারখানা কি দুই-তৃতীয়াংশ পদ খালি রেখে চলতে পারে? কিন্তু বাংলাদেশ রেলওয়ে বলে কথা। আড়াই দশক আগে রেলওয়েতে সোনালি করমর্দনের মাধ্যমে রেলওয়ের লোকবল কমানো হয়েছিল। সেটি ছিল ভুল সিদ্ধান্ত—মাথাব্যথা সারানোর নামে মাথা কেটে ফেলা।

রেলওয়ের প্রতি আগের সরকারগুলোর অবহেলা এতটাই প্রকট ছিল যে তারা মন্ত্রণালয়টি তুলে দিয়ে একটি বিভাগে রূপ দিয়েছিল। এখন আলাদা রেলপথ মন্ত্রণালয় হলেও আগের বদভ্যাস কাটাতে পারেননি রেলওয়ের পদাধিকারীরা। যেখানে একটি কারখানায় অনুমোদিত জনবলের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ পদ খালি, সেখানে রেলওয়ের উন্নয়নে সরকার আগ্রহী দাবি করা হাস্যকর। প্রতিবেশী ভারতে যখন রেলপথের সেবা বাড়ানো হচ্ছে, তখন বাংলাদেশে রেলওয়ে সংকুচিত করা আত্মঘাতী ছাড়া কিছু নয়।

রেলওয়ের আয় বাড়াতে হলে এর যাত্রীসেবার মানের পাশাপাশি রেলপথের দৈর্ঘ্যও বাড়াতে হবে। বর্তমানে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় সীমিত লোকবল দিয়ে মাসে যদি গড়ে ২৬টি কোচ ও ২৫টি মালবাহী ওয়াগন মেরামত এবং প্রায় ১ হাজার ২০০ রকমের যন্ত্রাংশও তৈরি সম্ভব হয়ে থাকে তাহলে প্রয়োজনীয় লোকবল থাকলে অনেক বেশি কোচ-ওয়াগন মেরামত ও যন্ত্রাংশ তৈরি করা সম্ভব হতো। দেশে এসব রেলওয়ে সরঞ্জাম তৈরি হলে রেলওয়ে যেমন স্বাবলম্বী হবে, তেমনি মানুষের কর্মসংস্থানও হবে।

অবিলম্বে সৈয়দপুর কারখানায় অনুমোদিত পদে লোক নিয়োগ করে এর উৎপাদন বাড়ানো হোক। রেলওয়েকে স্বাবলম্বী করতে হলে এর বিকল্প নেই।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com