সংবাদ শিরোনাম :
তেলের বাজারে অস্থিরতা, হরমুজ সংকটে দাম পৌঁছালো ১৫০ ডলারের দ্বারপ্রান্তে সকাল ৯টার মধ্যে যেসব জেলায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র কত বিমান হারাল ভিয়েতনামের কাছে হেরে বিদায় বাংলাদেশের দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী ভেঙে দেওয়া হলো বুলবুলের পরিচালনা পর্ষদ, এডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল পেশায় রাজমিস্ত্রির জোগালী, প্রেমিকাকে দিয়েছিলেন এএসপির পরিচয়, অবশেষে আটক শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় স্বাক্ষী না দিয়েও রেকর্ড বইয়ে স্বাক্ষ্য উল্লেখের অভিযোগ রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আপদকালীন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিচ্ছি : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এখন বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে : আমির খসরু
তেলের বাজারে অস্থিরতা, হরমুজ সংকটে দাম পৌঁছালো ১৫০ ডলারের দ্বারপ্রান্তে

তেলের বাজারে অস্থিরতা, হরমুজ সংকটে দাম পৌঁছালো ১৫০ ডলারের দ্বারপ্রান্তে

স্টাফ করেসপনডেন্ট, বাতায়ন২৪ডটকম, ঢাকা

 

চলমান ইরান যুদ্ধের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি। এর প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের অস্থিরতা। বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করেছে মার্কিন বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ‘জেপি মরগান’। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ ব্যাহত থাকলে অদূর ভবিষ্যতে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ থেকে ১৩০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।

পরিস্থিতি মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত স্থায়ী হলে দাম ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির সাম্প্রতিক এক নোটে এই সতর্কতা উচ্চারণ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে যেকোনও ধরনের বিঘ্ন সরাসরি বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি করে এবং বাজারে দাম বাড়িয়ে দেয়।

জেপি মরগানের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সরবরাহ সংকট ও মজুত কমে যাওয়ার কারণে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকজুড়ে (এপ্রিল থেকে জুন) তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে থাকতে পারে। তবে আলোচনার মাধ্যমে প্রণালি আংশিকভাবে চালু এবং মজুত পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে দাম কিছুটা কমতে পারে।

প্রতিষ্ঠানটি সতর্ক করে বলেছে, দাম কতটা বাড়বে এবং কতদিন ধরে উচ্চ অবস্থায় থাকবে-তার ওপর নির্ভর করবে বৈশ্বিক অর্থনীতির ঝুঁকি। দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চমূল্য বজায় থাকলে জ্বালানির চাহিদা কমে যেতে পারে এবং বিশ্ব অর্থনীতি মন্দার মুখে পড়তে পারে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর সামরিক চাপ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। তার এই অবস্থানের পর আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থির লেনদেনের মধ্যে তেলের দাম বাড়তে দেখা গেছে।

বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আরও বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। সূত্র: রয়টার্স

 

বাতায়ন২৪ডটকম।।  আদিল।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com