সংবাদ শিরোনাম :
গাইবান্ধায় জুলাই শহীদদের কবর পাকাকরণের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ শিবিরকর্মীকে মারধরের ঘটনায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ৪ কর্মী গ্রেপ্তার একাদশে ফিরছেন মেসি-মার্টিনেজ, যেমন হচ্ছে আর্জেন্টিনার একাদশ কারমাইকেল কলেজে ছাত্রশিবিরের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন হেক্সার পথে কি ব্রাজিল? ২০০২ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের সঙ্গে মিল খুঁজে পাচ্ছেন বিশ্লেষকরা সামাজিক মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, সুন্দরগঞ্জে যুবক গ্রেপ্তার ভুরুঙ্গামারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। দিনাজপুরে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের মানববন্ধন গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেলে বাসের ধাক্কা, ৫ জন নিহত তারেক রহমানকে ঈদুল আজহার উষ্ণ শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি
শিবিরকর্মীকে মারধরের ঘটনায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ৪ কর্মী গ্রেপ্তার

শিবিরকর্মীকে মারধরের ঘটনায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ৪ কর্মী গ্রেপ্তার

রংপুরের হারাগাছ এলাকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ইসলামী ছাত্রশিবিরের এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট।। রংপুর  ।।বাতয়ন২৪ডটকম।। ১৬ জুন ২০২৬

রংপুরের হারাগাছ এলাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ইসলামী ছাত্রশিবিরের এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— নাঈমুর রহমান নাঈম, সিরাজুল ইসলাম, রমজান আলী ও শরীফ মিজান। ভুক্তভোগী শিবিরকর্মী মো. আহসান হাবিব এ ঘটনায় হারাগাছ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কয়েক মাস আগে অনুষ্ঠিত একটি চরমোনাই মাহফিলের জিকির অনুষ্ঠান নিয়ে ফেসবুকে করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধের জেরে গত রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় হারাগাছ থানার টসার বাজার এলাকার বাঁধসংলগ্ন স্থানে আহসান হাবিবের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, কথা বলার কথা বলে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত কয়েকজন ব্যক্তি তাকে ঘিরে ধরে ফেসবুক মন্তব্যের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের নামে গালিগালাজ ও হুমকি দেয়। একপর্যায়ে প্রতিবাদ করলে তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে আহত করা হয়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন করে ভয়ভীতি দেখায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

লিখিত অভিযোগে নাঈমুর রহমান নাঈম, সিরাজুল ইসলাম, রমজান আলী, শরীফ মিজান, নিফাত বাবু ও আনোয়ার হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে হামলায় অংশ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন কয়েকজনকে আটক করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে হারাগাছ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চারজনকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

স্থানীয় ইসলামী আন্দোলনের এক দায়িত্বশীল নেতা জানান, সংশ্লিষ্টদের আগে থেকেই কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনায় জড়াতে নিষেধ করা হয়েছিল। তারা সংগঠনের নির্দেশনা উপেক্ষা করেছে। বিষয়টি সংগঠনের পক্ষ থেকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চৌহান বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে আটক চারজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তীতে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মতবিরোধকে কেন্দ্র করে বাস্তব জীবনে সহিংসতার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের মতে, অনলাইন মতপার্থক্যকে কেন্দ্র করে সহিংসতা সমাজে অসহিষ্ণুতার প্রবণতা বাড়ার ইঙ্গিত বহন করে।

বাতয়ন২৪ডটকম ~ আবুল

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com