সংবাদ শিরোনাম :
এই নির্বাচনে বাংলাদেশে ইসলামের পক্ষের এখন একটাই বাক্স, সেটা হলো ইসলামী আন্দোলন: চরমোনাই পীর স্বচ্ছতার সাথে মানুষের জন্য রাষ্ট্রের টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার করবো: আখতার হোসেন বাংলাদেশে ১৩ তারিখ থেকে হবে জনগণের দিন: তারেক রহমান শেরপুরের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত, সুষ্ঠু তদন্ত চায় বিএনপি : মাহদী আমিন দেশে ফিরেছে সাফ ফুটসাল জয়ী নারীরা ঠাকুরগাঁওয়ে আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা প্রদান-সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি জারি রাউজানে গর্তে পড়া শিশুটিকে ৪ ঘণ্টার চেষ্টায় উদ্ধার রংপুর জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণের সময় সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি জারি কাল রাজশাহী ও বগুড়ায় যাচ্ছেন তারেক রহমান রংপুরে ৩ আসনে ধানের শীষের পক্ষে এডভোকেট ডনের গণসংযোগ
ভারতসহ ৩ দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাবে সম্মতি ট্রাম্পের

ভারতসহ ৩ দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাবে সম্মতি ট্রাম্পের

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, আন্তর্জাতিক।। বাতায়ন২৪ডটকম।।

রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি তেল কেনার অভিযোগে ভারত, চীন ও ব্রাজিল— এই তিন দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব সংক্রান্ত একটি বিলে সম্মতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ বৃহস্পতিবার মার্কিন পার্লামেন্ট কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের সদস্য লিন্ডসে গ্রাহাম এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন এ তথ্য।

রিপাবলিকান দলের সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এবং বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টির সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেন্থাল যৌথভাবে তৈরি করা এই বিলে উল্লেখ করা হয়েছে, যে রাশিয়া থেকে যেসব দেশ নিয়মিত এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণে তেল, গ্যাস, ইউরেনিয়াম ও অন্যান্য পণ্য কেনে— তাদের ওপর দ্বিতীয় মাত্রার নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তাদের পণ্যের ওপর ধার্য করা হবে কমপক্ষে ৫০০ শতাংশ শুল্ক।

বৃহস্পতিবারের বিবৃতিতে গ্রাহাম বলেছেন, গতকাল বুধবার ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে এই বিলের ব্যাপারে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা হয় তার। ট্রাম্প এই বিলে সমর্থন জানিয়েছেন বলে দাবি করেছেন গ্রাহাম।

“এটা সঠিক সময়ে পাস হবে। কারণ ইউক্রেন শান্তির জন্য ছাড় দিচ্ছে অন্যদিকে পুতিন কেবল কথাই বলছেন, আর রাশিয়ার সেনারা এখনও নিরপরাধ লোকজনকে হত্যা করছে”, বিবৃতিতে বলেছেন গ্রাহাম।

তিনি আরও জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহেই এই বিলটির ওপর মার্কিন এমপিদের ভোটগ্রহণ শুরু হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক বিধি অনুসারে, প্রথমে বিলটি যাবে নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ বা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে। সেখানে পাস হলে সেটি যাবে উচ্চকক্ষ সিনেটে। সিনেটে সবুজ সংকেত মিললে শেষে বিলটি পাঠানো হবে প্রেসিডেন্টের দপ্তরে। সেখানে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের পর বিলটি কার্যকর হবে।

 বাতায়ন২৪ডটকম।। মেমোহি।।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com