সংবাদ শিরোনাম :
বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবি হলেন রংপুরের আরিফুল ইসলাম  প্রধানমন্ত্রীর উপহারের টাকা পেলেন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা সাংবাদিকদের কল্যাণে বর্তমান সরকার বৃহত কর্মসূচি প্রণয়ন করবে: বাছির জামাল রাশিয়ান মডেল মনিকার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা মার্কিন ঘাঁটি বন্ধ না হলে হামলা, হরমুজ বন্ধ থাকবে : প্রথম বক্তৃতায় মোজতবা খামেনি বাগেরহাটে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ১২ ঈদ যাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে আরপিএমপির সাব-কন্ট্রোল রুমের উদ্বোধন ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন শনাক্ত করতে পারছে না ইসরায়েল গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সংসদ সদস্যদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান মোশাররফের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার ও বিরোধী দল গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে, আশা স্পিকারের
জাতীয় পার্টির তোষামোদেই হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠিত- মাওলানা আব্দুল হালিম

জাতীয় পার্টির তোষামোদেই হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠিত- মাওলানা আব্দুল হালিম

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, রংপুর।। বাতায়ন২৪ডটকম।।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন, জাতীয় পার্টির তোষামোদী ভূমিকার কারণেই শেখ হাসিনার ১৫ বছরের কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠা পায়।

মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) দুপুরে রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে ৮ দলের ডাকা বিভাগীয় সমাবেশস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, “জাতীয় পার্টির বড় চমক হলো- তারা আওয়ামী লীগকে তুষ্ট করতে করতে ভারতের আজ্ঞাবাহী শেখ হাসিনাকে ১৫ বছর ক্ষমতায় টিকিয়ে রেখেছে। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের অগণতান্ত্রিক নির্বাচনে জনগণের ম্যান্ডেট ব্যাহত হওয়ার পেছনে অন্যতম দায় তাদের।”

মাওলানা হালিম আরও বলেন, একসময় রংপুরসহ দেশের মানুষের সহানুভূতি ছিল জাতীয় পার্টির প্রতি, কিন্তু “ফ্যাসিস্ট হাসিনার অন্ধভক্তির মাধ্যমে জনগণের আস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে দলটি।” তার দাবি, আওয়ামী লীগের মতো জাতীয় পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করাও এখন সাধারণ মানুষের গণদাবিতে পরিণত হয়েছে।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের জারি করা আদেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের জারি করা আদেশকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার জন্য গণভোট অপরিহার্য ।

তিনি জানান, ৮ দল গণভোট একই দিনে না করে পৃথকভাবে এবং নভেম্বর মাসে আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যকে সম্মান জানিয়ে তারা একই দিনে গণভোটে অংশ নিতে রাজি হয়েছেন। তার ভাষায়, একই দিনে গণভোট হলে কিছু আশঙ্কা ও মিশ্র পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে—তাই তারা আলাদা আয়োজন চেয়েছিলেন। তবুও তিনি দাবি করেন, “একই দিনে হলেও জনগণ ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষেই রায় দেবে।” তিনি আরও বলেন, রংপুরে বিভাগীয় গণসমাবেশ আয়োজনের উদ্দেশ্যই হলো জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সুদৃঢ়ভাবে দাঁড় করানো।

রংপুরে বিভাগীয় গণসমাবেশের অগ্রগতির প্রশংসা করে মাওলানা হালিম বলেন, “সমাবেশ বাস্তবায়নে রংপুরের ৮ দলের নেতৃবৃন্দ অত্যন্ত আন্তরিকতা ও মনোযোগ দিয়ে কাজ করছেন। লাখো মানুষের অংশগ্রহণে এই সমাবেশ জাতির সামনে একটি নতুন নজির স্থাপন করবে।”

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন-জামায়াতে ইসলামীর রংপুর মহানগর আমির ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী উপাধ্যক্ষ এটিএম আযম খান, সেক্রেটারি কে এম আনোয়ারুল হক কাজল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রংপুর মহানগর সভাপতি মুফতি আব্দুর রহমান কাসেমী, সাধারণ সম্পাদক ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী আমিরুজ্জামান পিয়াল, রংপুর-১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক রায়হান সিরাজীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বাতায়ন২৪ডটকম।। মেমোহি।।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com