সংবাদ শিরোনাম :
লগি-বৈঠা হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সুন্দরগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ সুন্দরগঞ্জে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ রংপুরে ডিবির অভিযানে ২০ মামলার আসামি গ্রেপ্তার, উদ্ধার হেরোইন-ইয়াবা-গাঁজা বদরগঞ্জের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার ১৯৭৭ সালের গ্যারান্টি ক্লজের আলোকে ফারাক্কা চুক্তি নবায়নে ভারতের প্রতি প্রত্যাশা পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ২৮ অক্টোবর লগি বৈঠা হত্যাকান্ডের বিচার দাবি,রংপুরে ছাত্র শিবিরের বিক্ষোভ কাউনিয়ায় যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা লগি-বৈঠার সহিংসতার পুনরাবৃত্তি নয়, আওয়ামী লীগের পরিণতি থেকে শিক্ষা নিন: এমপি – বেলাল কিশোরগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল আত্মসাতের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পীরগাছায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা
মিঠাপুকুরে বসতবাড়িতে হামলা ও মারধোর আশঙ্কাজনক অবস্থায় ১ জন চিকিৎসাধীন

মিঠাপুকুরে বসতবাড়িতে হামলা ও মারধোর আশঙ্কাজনক অবস্থায় ১ জন চিকিৎসাধীন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট||রংপুর||বাতায়ন২৪ডটকম||

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় বসতবাড়ির জমির সীমানা নিয়ে পূর্বশত্রুতার জের ধরে এক পরিবারে হামলা, মারধর ও শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে উপজেলার ১৭ নম্বর ইমাদপুর ইউনিয়নের রহমতপুর সোনারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ হাবিবুল্লাহ মানিক (২৬) বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে মিঠাপুকুর থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন- মিঠাপুকুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সৈকত ইসলাম পাখি (৩৫) মোঃ আমিনুল ইসলাম (৩৮), মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৪২), মোঃ আনার মিয়া (৫০), মোঃ শাহা দুলাল (৪০), মোছাঃ রহিমা বেগম (৫২) এবং মোছাঃ জাহেদা বেগম (৪৯)। অভিযুক্তরা সকলেই একই এলাকার বাসিন্দা।

এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বসতবাড়ির ভিটার জমি নিয়ে ভুক্তভোগী হাবিবুল্লাহ মানিকের পরিবারের সাথে বিবাদীদের দীর্ঘদিন ধরে আদালতে মামলা চলছিল। ঘটনার দিন বিবাদীরা লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্রসহ পূর্বপরিকল্পিতভাবে মানিকের বাড়ির উঠানে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং জাহিদুল ইসলাম মানিকের মাথায় আঘাত করে।

মানিক কে বাঁচাতে তার ছোট ভাই মোঃ আনাছ শেখ অনিক, মোঃ সৈনিক শেখ এবং মা হেলেনা বেগম এগিয়ে এলে আনার মিয়া ধারালো ছোরা দিয়ে আনাছ শেখ অনিকের মাথায় কোপ দেয়। এতে তিনি রক্তাক্ত গুরুতর জখম হন। অন্য বিবাদীরা লাঠিসোটা ও কিল-ঘুষি মেরে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের আহত করে। মানিকের মাকে মারধোর ও শ্লীলতাহানি ঘটায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করান। গুরুতর আহত আনাছ শেখ অনিকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তার মাথায় ১০টি সেলাই লেগেছে বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী হাবিবুল্লাহ মানিক জানান, “আমি মিঠাপুকুর থানায় এজাহার দিয়েছি। মোঃ সৈকত ইসলাম পাখি,উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক হওয়ায় দলীয় ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে আমাদের মামলা আটকিয়ে রেখেছে।
আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

এবিষয়ে জানতে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সৈকত ইসলাম পাখিকে ফোন করা হলে, তার ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে মিঠাপুকুর থানার ওসি এরশাদ জানান, এ সংক্রান্ত দুই পক্ষই লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এইচআরবি/বাতায়ন২৪ডটকম

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com