স্টাফ করেসপন্ডেন্ট |ঢাকা| বাতায়ন২৪ডটকম
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তার দাবি, ফলাফল আগে থেকেই নির্ধারিত থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন তার কাছে ‘অর্থহীন’ ও ‘প্রহসনের’ মনে হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের কাছে ভোটদানে বিরত থাকার তিনটি কারণ তুলে ধরেন রুমিন ফারহানা।
প্রথম কারণ হিসেবে তিনি বলেন, নির্বাচনে অনিশ্চয়তা না থাকলে সেটিকে প্রকৃত অর্থে নির্বাচন বলা যায় না। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল আগে থেকেই সবার জানা ছিল। তাই এটিকে নির্বাচন না বলে ‘মনোনয়ন’ বলা উচিত।
দ্বিতীয় কারণ হিসেবে রুমিন ফারহানা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে একজন অরাজনৈতিক ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে সবাই মিলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে পারলে নির্বাচনটি আরও অর্থবহ হতো।
তৃতীয় কারণটিকে নিজের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে বিএনপির পক্ষ থেকে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কথা বলে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল।
রুমিন ফারহানা বলেন, বিএনপি ২০১৬ সাল থেকে ভিশন-২০৩০ নিয়ে কথা বলছে। অথচ এখন বলা হচ্ছে, দলের সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে সদস্যপদ বাতিল হবে। এমন পরিস্থিতিতে তিনি এই ‘প্রহসনের ভোটে’ অংশ নিতে চাননি।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে রুমিন ফারহানা ছাড়াও বিএনপির তিন সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস, ওসমান ফারুক ও মোস্তফা কামাল পাশা ভোট দেননি। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম এবং খেলাফত মজলিশের আবুল হাসানও ভোটদানে বিরত ছিলেন।
এইচআরবি/বাতায়ন২৪ডটকম