টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানিতে ভেসে এসেছে এক অজ্ বৃদ্ধার• অর্ধগলিত মরদেহ। পরিচয়হীন মরদেহটি উদ্ধারকে কেন্দ্র করে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ চেষ্টা করেও পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ||গাইবান্ধা || বাতায়ন২৪ডট.কম || ১১ জুলাই ২০২৬
শনিবার (১১ জুলাই) কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. সেলিম রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, শুক্রবার উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রাঘব-গেন্দুরাম এলাকার মাঝামাঝি ‘মাইডেলের সোতা’ নামক স্থানে একটি কাঠের সাঁকোর নিচে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পান স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে হরিপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. শাহা আলম বিষয়টি কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রকে জানান। পরে তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জের নির্দেশনায় উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুলিয়াস রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহটি উদ্ধার করেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত কেউই ওই বৃদ্ধার পরিচয় শনাক্ত করতে পারেননি। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে আইনগত কার্যক্রম শুরু করা হয়। পরিচয় শনাক্তে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সচেতন নাগরিক এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেরও সহায়তা নেওয়া হলেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইন্সপেক্টর মো. সেলিম রেজা বলেন, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানিতে উজান থেকে মরদেহটি ভেসে এসে থাকতে পারে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিন আগে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে। তার বয়স আনুমানিক ৫০ বছর। মরদেহটি অর্ধগলিত হওয়ায় পরিচয় শনাক্ত কিংবা মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও জানান, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পরে জেলা প্রশাসনের অনুমোদনক্রমে গাইবান্ধা জেলা শাখা আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের মাধ্যমে জেলা পৌর কবরস্থানে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে।
বাতায়ন২৪.কম/মাহমুদুল হাসান