স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ||রংপুর|| বাতায়ন২৪ডটকম
রংপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকার তৃতীয় নম্বর লাইনে বুড়িমারী লোকাল ট্রেনের ইঞ্জিন এবং একটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্তক কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
শনিবার ( ৮ আগস্ট) পৌনে চারটায় টায় রেলওয়ে স্টেশনে উদ্ধার কার্যক্রম তদারকিতে থাকা রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী লোকো ধীমান ভৌমিক জানান, ‘ দুপুর ১ টায় আমরা ঘটনাস্থলে পৌছাই। দেড়টার মধ্যে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করি। বেলা সাড়ে দিনটার দিকে লাইনচ্যুত বগিটি উদ্ধার করা হয়েছে। ইঞ্জিণটি উদ্ধারে কাজ চলছে।
তিনি আরও জানান, ‘ এ ঘটনায় ৫ সদদ্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে ৩ কর্মী দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এরপর বোঝা যাবে কারণ কি।
স্থানীয়দের অভিযোগ সংস্কার না করা হলেও ওই লাইনে ট্রেন লাগানোর কারণে এই দুর্ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে ধীমান ভৌমিক জানান, ‘ রেলওয়ের লাইন সংস্কার কাজ চলমান। এটা কেন সংস্কার হচ্ছে না , সেটাই এই মুহুর্তে আমি বলতে পারবো না। তবে তদন্তে এই বিষয়টিও থাকবে। ড্রাইভারের গাফিলতি নাকি লাইনের সমস্যা নাকি অন্য কিছু তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর সেটা পরিস্কার করা হবে। ‘
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে দশটায় লালমনিরহাট থেকে ছেড়ে আসা পাবর্তীপুরগামী ৪৬১ লোকাল ট্রেনটি রংপুর রেলওয়ে স্টেশনের তিন নম্বর ক্রোচিং পয়েন্টে ইঞ্জিন এবং তারপরের বগিটি লাইনচ্যুত হয়। ড্রাইভার তড়িৎগতিতে ব্রেক করায় এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটে নি। লাইনচ্যূত হওয়া ট্রেনের বাকিবগিগুলো মুল লাইনে আটকা পড়ে যায়। এতে রংপুরের সাথে কাউনিয়া, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, বামনডাঙ্গা, বগুড়া রেলওয়ের লালমনিরহাট ডিভিশনের সাথে সারাদেশে দেশের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। স্টেশনে আটকা পড়ে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে দেয়।
এ ঘটনায় রেলওয়ের লালমনিরহাট ডিভিশনের বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে আন্ত:নগর দোলাচাপা, রামসাগর, বুড়িমারি কমিউটার, রমনা লোকাল, লালমনিরহাউট কমিউটা-৬৪সহ বিভিন্ন ট্রেন।
বেলা সাড়ে ১২ টায় ইঞ্জিন এবং লাইনচ্যুত বগিটি রেখে বাকি ছয়টি বগি আরেকটি ইঞ্জিন দিয়ে সরিয়ে স্টেশনের এক নম্বর লাইনে প্লেস করার পর স্টেশনের এক নম্বর এবং দুই নম্বর লাইন ক্লিয়ার হয়ে যায়। দুপুর ১ টায় সেখানে উপস্থিত হয় রিলিফ ট্রেন।
সমামা/বাতায়ন২৪ডটকম/এইচআরবি