সংবাদ শিরোনাম :
সুন্দরগঞ্জে প্রাণিসম্পদভিত্তিক আত্মকর্মসংস্থানে নবীন উদ্যোক্তাদের কর্মশালা, ওষুধ বিতরণ নারী আসনে ১৩ প্রার্থীর নাম প্রকাশ করলো জামায়াত জোট ১২তম প্রাণিবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড (রংপুর অঞ্চল)-এ প্রথম স্থান অর্জন করেছেন কারমাইকেল কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নশিন তাবাসসুম। প্রতিটি শিশুকে হামের টিকা খাওয়াতে নগরবাসির সহযোগিতা চাইলেন রংপুর সিটি প্রশাসক – ডন হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সফল করতে হবে — রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার কুড়িগ্রামে চোরাই মোটরসাইকেল চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ১০টি বাইক বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না সেই ভাইরাল ফারজানা সিঁথি দিনাজপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে স্বামী-স্ত্রীর দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার গাইবান্ধা ১৫০ শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে ভুল, এসএসসি পরীক্ষার আগে দুশ্চিন্তায় সংসদ সদস্য হচ্ছেন ফেন্সী, রংপুর উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা
বিপিএলে একসঙ্গে খেলতে ছেলেকে যেভাবে তৈরি করেছেন নবী

বিপিএলে একসঙ্গে খেলতে ছেলেকে যেভাবে তৈরি করেছেন নবী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, ক্রীড়া।। বাতায়ন২৪ডটকম।।

বাবা মোহাম্মদ নবী পাশেই বসে ছিলেন। হাসান ইসাখিলকে প্রশ্ন করা হলো, বাবা কি খুব কড়া? দ্রুত এলো উত্তর, ‘না, না। আমরা একদম স্বাভাবিক বাবা-ছেলের মতো। আমরা আসলে বন্ধুর মতো।’ পাশে বসা নবী মুচকি হেসে যোগ করলেন, ‘আমি শুধু ট্রেনিংয়ের সময় কড়া। কোনো অজুহাত চলে না।’

বাবা ছেলের এই কথায় সংবাদ সম্মেলন কক্ষে হাসির রোল পড়ে যায়। বিপিএলে অনেক গল্প তৈরি হয়, কিন্তু এমন গল্প আগে কখনও দেখা যায়নি। ১৯ বছর বয়সী ইসাখিলকে নোয়াখালী এক্সপ্রেস যখন দলে নিলো, তখন দলে একটা আশার সুবাতাস বইতে থাকল। রাত গড়াতে এই ব্যাটারের ৬০ বলে ৮২ রানের সুবাদে জয়ও পেল দল। বাবার সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ৫৩ রানের জুটি গড়ে জানিয়ে দিলেন, তাদের মধ্যে মাঠের সম্পর্কও দারুণ। ৭ চার ও ৫ ছয়ের ইনিংসে স্ট্রাইক রেট ছিল ১৫৩.৩৩।
নবী মাঠে থাকাকালে পুরো সময় ইসাখিলকে গাইড করছিলেন- বোলার কী করতে পারেন, বল কি ফাস্ট হবে নাকি স্লোয়ার। নবীর এই পরামর্শ কাজে লাগিয়ে ছেলে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। তাছাড়া প্রস্তুতিও যে তিনি ভালোভাবে নিয়ে এসেছেন, তা স্পষ্ট। নোয়াখালী ইসাখিলের ব্যাটে চড়ে টুর্নামেন্টের নিজেদের সর্বোচ্চ ১৮৪ রান সংগ্রহ করে এবং ৪১ রানে জয় পায়।

৪১ বছর বয়সী নবী বলেন, ‘ছেলের সঙ্গে খেলার জন্য আমি অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করছিলাম। আমি ওকে একজন পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে গড়ে তুলেছি। অভিষেকে খুব ভালো পারফরম্যান্স করেছে সে। অভিষেকের আগে গতকাল আমি ওকে ৯০ মিনিট সময় দিয়েছি বোলারদের ধরন বোঝাতে। এমনকি সাইড-আর্ম স্টিক দিয়ে ওকে বেশ কঠিন প্র্যাকটিস করিয়েছি। যেকোনো তরুণের জন্য অভিষেকের চাপ সামলানো কঠিন, কিন্তু ও সেটা খুব ভালোভাবে পেরেছে।’

সেঞ্চুরি মিস করা নিয়ে ইসাখিলের কোনো আক্ষেপ নেই। তিনি বলেন, ‘আমি তখন ছক্কা মারার চেষ্টা করছিলাম যাতে দলের স্কোর বড় হয়। সেঞ্চুরি করতে না পেরে আমি হতাশ নই। আমার কোনো আক্ষেপ নেই এনিয়ে।’ নিজের ব্যাটিং স্টাইল নিয়ে তিনি বলেন, ‘অনেকে বলে আমি বাবাকে নকল করি, কিন্তু আসলে আমি স্বভাবগতভাবে এমন খেলি। আমাদের স্বপ্ন হলো আমি যেন জাতীয় দলে খেলতে পারি, তাই ঘরোয়া ক্রিকেটে মন দিচ্ছি।’ নবীও জানিয়ে দিলেন তার ছেলে তাকে নকল করেন না, ‘এটা ওর নিজস্ব স্টাইল। ও জন্মগতভাবেই এমন।’

বাতায়ন২৪ডটকম।। মেমোহি।।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com