সংবাদ শিরোনাম :
‎রংপুরে দুই মোটসরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২ ‎ রংপুরে ঈদের প্রধান জামায়াত কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে সকাল সাড়ে ৮ টায় রংপুরের গঙ্গাচড়ায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর উদযাপন বদরগন্জ উপজেলায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রংপুরে প্রধান ঈদের জামাত সকাল সাড়ে আটটায় অসহায় সেজে বাসায় আশ্রয়; ৪ শিশু নিয়ে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করে ধরা নারী, থানায় মামলা খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় মাসজুড়ে রংপুর মহানগর ছাত্রদলের কর্মসূচী রংপুরে এনসিপি সদস্য সচিব আখতার হোসেনের ভ্যান শোডাউন আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টির যোগ সাজোসে বাংলাদেশে ৩টি ডামি ও প্রহসনের নির্বাচন হয়। বদরগন্জে  বিএনপির দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
আ,লীগের রাজনীতির আড়ালে প্রতারাণা দূনীতি করে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন ডা. ইয়াকুব উল আজাদ

আ,লীগের রাজনীতির আড়ালে প্রতারাণা দূনীতি করে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন ডা. ইয়াকুব উল আজাদ

শরিফুল ইসলাম/বাতায়ন২৪ডটকম

আওয়ামীলীগের রাজনীতির আড়ালে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারাণা, হয়রানী ও দূনীতির মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন ডাক্তার ইয়াকুব উল আজাদ। জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদের মধ্যে রয়েছে ঢাকা মোহাম্মদপুর শ্যামলী শিয়া মসজিদের পাশে ৬৬ কাঠার উপর নির্মিত তিনটি নয়তলা বিল্ডিং, (নবোদয় হাউজিং) খুলনা রওশনারা ক্লিনিক ছয়তলা বিল্ডিং, রংপুর ধাপ এলাকায় ৫৩ শতক জমির উপর এআর সিটি নির্মানাধীন ১৭ তলা ভবন, গাজিপুরে ১ একর জমি, রংপুর পীরগঞ্জ ও গাইবান্ধা পলাশ বাড়িতে প্রায় ১শ একর জমির মালিক ডাক্তার ইয়াকুব উল আজাদ। এছাড়া তার স্ত্রী সন্তান ও নিকট আত্নীয়ের নামে রয়েছে বিপুল সম্পদ।

এদিকে ডাক্তার ইয়াকুব উল আজাদের স্ত্রীর রওশন আরা বেগমের নামে ২০১৮ সালে আয়কর রির্টানে দাখিলকৃত সম্পদের বিবরনিতে জানা যায়, রংপুরে ০.৩২৫ একর, ঢাকার জমি .০৬০ একর রংপুর নগরীর ধাপ ০.৩০২৫ একর, জেডিএ প্লট, ঢাকায় ২টি ফ্লাট, গাইবান্ধা পলাশ বাড়িতে, ০৫০ একর জমি এসব সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছে তিন কোটি চুরানব্বই লক্ষ ৫ হাজার টাকা। ডাক্তার ইয়াকুব উল আজাদের আয়কর রির্টানে দাখিলকৃত সম্পদের বিবরনিতে জানা যায় নামে ২ কোটি ৩৯ লক্ষ ৪৭ হাজার ৪শত ১২ টাকা। যা বাস্তাবের চেয়ে অনেক কম দেখানো হয়েছে আয়কন রির্টানে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে এর কয়েক গুন তার সম্পদ রয়েছে।

শুধু দেশেই নয় কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াতে জামাতার মাধ্যমে পাচার করেছেন হাজার কোটি টাকা। গত ৫ আগষ্ট স্বেরাচার শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর থেকে তিনি দেশেই আত্নগোপনে রয়েছেন। আত্নগোপনে থাকলেও তার অপরাধ কর্মকান্ড থেমে নেই।

বিভিন্ন সূত্রে জানাযায়, ডাক্তার ইয়াকুব উল আজাদ শহীদ সোহরওয়াদী হাসপাতালের পরিচালক থাকা কালীন, খালেদা জিয়া মেডিকেল কলেজের নাম পরিবর্তন করে শহীদ সোহরাওয়াদী মেডিকেল কলেজের নাম প্রবর্তনের বিশেষ ভূমিকা পালন করেন তিনি। এ সময় বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র ক্রয়ের নামে শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠে ডাক্তারের বিরুদ্ধে। এছাড়াও তিনি সরকারী চাকুরী করা কালীন চাকুরী বানিজ্য করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। এই সম্পদ তিনি মেয়ের জামাইয়ের মাধ্যমে দেশের বাহিরে পাচার করেন।

ছাত্র জীবন থেকে ডাক্তার ইয়াকুব উল আজাদ ১৯৭২ থেকে ৭৫ সাল পর্যন্ত রংপুর মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে বিএমএ ও স্বচিপ’র লাইফ মেম্বার নির্বাচিত হন। ২০১৮ এর জাতীয় নির্বাচনে আওযামীলীগের এমপি প্রার্থী হিসেবে পলাশবাড়ি ও সাদুল্ল্যাপুর আসনে মনোয়ন পত্র সংগ্রহ করেন।
স্ত্রী রওশন আরাকে দিয়ে আওয়ামীলীগের ভোল্ড পালটিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে যোগাযোগ করছেন।

তিনি ব্যবসায়িক পাটনারদের সাথে প্রতারণাও করেছেন। নিজের বাড়ি ও সপিং কমপ্লেক্স তৈরীতে মালামাল বাকিতে ক্রয় করে অর্থ না দিয়ে উল্টো তাদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে সর্ব শান্ত করেন।

ইয়াকুব উল আজাদের বিরুদ্ধে রংপুর মেট্রো কোতয়ালী ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদলতের সি আর ১৬১৪/২০২৪ মামলার গ্রেফতাররি পরোয়ানা রয়েছে। পুলিশ তাকে গ্রেফতার না করায় তার লোকজন দিয়ে তার অপরাধ কর্মকান্ড পরিচালনা অব্যহৃত রয়েছে।

এদিকে ক্যাপ্টেন গ্রুপের স্বত্তাধীকারী বেলাল হোসেন বিল্ডিং এর মালামাল সরবাহ করেন। তার বিপরীতে ডাক্তার ইয়াকুব উল আজাদ তাকে রংপুর আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকের ৯৭১০২০০১০০২৩ নং হিসাবের একটি চেক প্রদান করেন। কিন্তু সেই হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেক ডিজ অনার হয়। পরবতীতে তিনি রংপুর আমলী ম্যাজিষ্ট্রট আদালতে মামলা করেন যাহার সিআর নং ১৬১৪/২৪।

অন্যদিকে ডাক্তার ইয়াকুব উল আজাদ খুলনা সোনাডাঙ্গা থানার আমলী আদালতে ক্যাপ্টেন গ্রুপের স্বত্তাধীকারী বেলাল হোসেন, আলী হোসেন, আব্দুল হালিম ও খায়রুল ইসলামের নামে ক্ষমতার প্রভাব খাটি হয়রানী মূলক মামলা দায়ের করেন যাহার নং সিআর ১০৩৮/২০২৪।

এদিকে ডাক্তার ইয়াকুব উল আজাদ আঃ সোবহান ১৫ লক্ষ টাকা জাকির হোসেন ৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা, মালামাল গ্রহন করেন। মালামালের মূল্য পরিশোধের জন্য বিভিন্ন ব্যাংকে চেক প্রদান করেন। চেকে টাকা না পেয়ে ডিজ অনার স্লীপ গ্রহন করে আদালতে ভূক্তভোগীরা আদালতে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এছাড়াও আলমগীর কবিরের কাছ থেকে ফ্লাট লিখে দেয়ার চুক্তিতে ৯ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা গ্রহন করেন। পরে ফ্লাট না দিয়ে ফেরত হিসাবে তাকে টাকার বিপরীতে চেক প্রদান করেন। কিন্তু হিসাব নম্বরে টাকা না থাকায় ডিজ অনার স্লীপ গ্রহন পূর্বক তিনিও মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এ বিষয়ে ডাক্তার ইয়াকুব আলীর সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলেও কোন অপকর্মের সাথে জড়িত নই।
বাতায়ন২৪ডটকম/শরিফুল ইসলাম

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com