ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স না মানার অভিযোগ – এমপি বেলালের
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ||রংপুর||বাতায়ন২৪ডটকম||
রংপুরে আইনশৃংখলা কমিটির বৈঠকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স না মানা, বিরোধীদলের এমপিদের মূল্যয়ন না করা, বিভিন্ন কমিটিতে এমপিদের প্রতিনিধি না রাখা, সারের ডিলারে নজীর বিহীন অনিয়ম এবং একটি দলের তোষামোদি করার অভিযোগ তুলে কর্মকর্তাদের কড়া ভাষায় শাসালেন এমপি মাহবুবুর রহমান বেলাল। এসময় তিনি জনগনের প্রতিনিধি হিসেবে জনগনের কথা না শুনলে আন্দোলনে নামারও ঘোষণা দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডিসি বলেন শব্দ চয়নে সবাইকে সতর্ক থাকা উচিত।
রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে আইনশৃঙখলা কমিটির বৈঠক বসে সকাল সাড়ে ১০ টায় রংপুর জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে। ডিসির সভাপতিত্বে সেখানে রংপুর ৩ আসনের এমপি মাহবুবুর রহমান বেলাল, ১ আসনের এমপি রায়হান সিরাজী, ৫ আসনের এমপি গোলাম রব্বানী, ৬ আসনের এমপি নুরুল আমিন,মহানগর ও জেলা পুলিশসহ জেলার শীর্ষ কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।
সভায় ডিসিসহ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে এমপি বেলাল বলেন, ‘ আপনারা এমপিদের পাত্তা দিচ্ছেন না। হোয়াই? হোয়াই? কিভেবেছেন আপনারা? কিভাবেন আপনারা? আপনারা আসমান থেকে আসছেন? মঙ্গলগ্রহ থেকে আসছেন? উই আর দি সন অফ দিস ল্যান্ড সয়েল। আমাদেরকে জনগণ ভোট দিছে। আমরা পাত্তা দেন না কেন, কেন, কেন। জনগণকে খেপাবেন না। আমরা রাস্তা চলাচলে বন্ধ করে দেব। আমি মাহবুবুব রহমান বেলার এই সয়েলের সন্তান। ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সতে এমপির কি মর্যাদা দেয়া হয়েছে। আমি জানি , আপনারাও জানেন । অডার্র অব প্রেসিডেন্সিটা আমি করি নাই, রাষ্ট্র করছে। সো ইউ সুড টু অনার দ্যা এমপিস। টু কিপ দ্যা রাইট অব দ্যা এমপি’স। পরিষ্কার বলছি আমি। কমিটি হবে ইচ্ছা মতো। মিটিং ইচ্ছা মতো করবেন। ডিসিশন নেবেন ইচ্ছা মতো। আর আমাদের মুলা ঝুলিয়ে রাখবেন। কলা দেখাবেন। আমরা অত বোকা না।’
ডিসিকে উদ্দেশ্য করে এমপি বেলাল আরও বলেন, ‘ আমি আবার বলছি ফর ইউর কাইন্ড ইনফরমেশন। আমি ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ভোট পেয়েছি। এই লোকেরা কি জন্য ভোট দিছে আমাকে? ঘাস কাটার জন্য? শুধু সেজে দেখানোর জন্য? শুধু মিটিংয়ে এসে ইটিং করার জন্য? এটা তো না। আমি তাদের পক্ষে কথা বলবো, তাদের স্বার্থ দেখব। এখানে স্বার্থ রক্ষা কোথায় করতে পারলাম আমি? যে একটা সার ডিলারশিপের জন্য, অনেক অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী তো এপ্লাই করেছে, সমস্ত শর্ত ফুলফিল হয়েছে। বাট সে পাইলো না। পাইলো কে? এক দলীয় পরিচয়ে একটা বিশেষ লোক। যার কোন এক্সপেরিয়েন্স নাই, কোন গোডাউন নাই, কোন সলভেন্সি নাই। তারপর সে কিভাবে পেল? তার একটা পরিচয়? সে সরকারি দলের লোক। এগুলো কোন কথা। খুবই দুর্ভাগ্যজনক লজ্জিত জনক। ’
ডিসিকে উদ্দেশ্য করে এমপি বেলাল আরও বলেন, ‘ আমি পরিষ্কার বলছি, ডিসি মহোদয়কে আবার বলছি । যে সমস্ত কমিটি আছে। এই কমিটিতে এমপির পক্ষে প্রতিনিধি থাকতে হবে। এমপি মানে জনগণের প্রতিনিধি। এমপি মানে জনগণের। এটা আমি বলতেছি। যদি না করেন। আমি পরিষ্কার বলছি, আমরা ভদ্রলোক। পাশাপাশি আমরা জনগণ কর্তৃকনির্বাচিত প্রতিনিধি। জনগণের নায্য দাবিতে বাধ্যহয়ে আমাকে আন্দোলনে নামতে হবে। আমার মূল শক্তি হলো জনগণ। আপনার যে সরকারি দলের কথা বলছেন, তাদের প্রতি জনগনের সাপোর্ট কতটুকু আপনারা খেয়াল করে দেখেন। যদি পাবলিক খেপে যায়। তাহলে কিন্তু আপনারা সামনে কাউকে পাবেন না। ‘
ডিসিসহ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে এমপি বেলাল বলেন, ‘ পরিষ্কার বলে দিচ্ছি। জনগনকে সামলানোরসেই ক্ষমতা পুলিশের নাই, র্যা বের নাই, কারো নাই। পরিষ্কার আমি বলছি। পাবলিক অত বোকা আর নাই। পুলিশকে র্যা বকে ভয় পায় না। তাদের ন্যায্য দাবি আদায় করার জন্য। আমাদের বাধ্য করবেন না থানায় ঘেরাও করার জন্য। আমাদের বাধ্য করবেন না ডিসি অফিস ঘেরাও করার জন্য। পরিষ্কার বললাম। আমি ভদ্রলোক। কিন্তু অভদ্র হতে আমাকে বাধ্য করবেন না। আপনারা দালালি করছেন?
প্রশাসন একটি দলকে তেল মারতেছে উল্লেখ করে এমপি বেলাল বলেন, ‘ আপনাদের তামাশা আমরা দেখতেছি। আপনারা একটি দলের তেল মারতেছেন। কত তেল মারবেন। যাদের ভিত্তি নাই ভ যারা জনগণের গণমান রায় মানে না, তাদের তেল মালিস করেন আপনারা। গণভোটের রায় দিয়েছে জনগন। সেটা তার তোয়াক্কা করছে না। সরি আমি এভাব বলার জন্য। আমি বাধ্য হলাম বলতে। সামনে এভাবেই আমাকে দেখবেন। আমি আবার বলছি এগেইন বলছি আমি মাহবুবুর রহমান বেলাল এই ল্যান্ডের সন্তান। চৌদ্দ গোষ্ঠী আমার এই ল্যান্ডের। আপনারা আরেক জায়গা থেকে আসছেন আবার চলে যাবেন বাইরে। আমাকে থাকতে হবে এখঅনে। আমাকে জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতেই হবে। জনগণের প্রয়োজনে জীবন দেব আমি। আবু সাঈদের মতো জীবন দেব। আমরা যদি ইচ্ছা করি রংপুর পুরা বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন করব। কারণ আমরা সবাই একটি এক দলে। আমার জনগণ আছে, সেটা আমার সব বড় হাতিয়ার। আমার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার আমি মনে করি বুলেটের চেয়েও বড় জনগণ। সেই জনগণ আমার সঙ্গে আছে। জনগণের দাবিকে সামনে রেখে কাজ করেন। একদিকে দায়িত্ব পালন হবে এবং দোয়া পাবেন। দয়া করে কাজগুলো করিয়েন।’
সার ডিলারের নজীর বিহীন দলীয়করণ প্রসঙ্গ টেনে এমপি বেলাল বলেন, ‘ সারের বিষয়ে একটা লজ্জাজনক ন্যাক্কারজনক দলীয়করণ হয়েছে। এটা আমি তীব্র নিন্দা করছি। সমস্ত ডিলার একটা দল থেকে নেওয়া হয়েছে। প্রকৃত ব্যবসায়ীরা বঞ্চিত হলো কেন? এখানে প্রকাশ্যে সারের ডিলার বিক্রি করা হয়েছে। আপনারা সবাই জানেন যে এক নাম্বার তালিকা পূরণ করেছেন ডিসি মহোদয়। এক নাম্বার সিরিয়ালের লোকটাকেই সিলেকশন দেওয়া হয়েছে। হোয়াট ডাজ মিন। তার মানে ডিসি এক নাম্বারকে দিছে যেন এক নাম্বারই পাশ করে এই জন্য দিছে। আমরা মনে করব। ডিসি সিদ্ধান্ত নিছে। যে এক নাম্বারের তালিকায় আমি ১০ জন দেই ১৫ জন দেই ২০ জন দেই ওই এক নাম্বারটাই সিলেকশন দিবেন। ’
সার ডিলারে দুর্নীতি বিষয়ে এমপি বেলাল বলেন, ‘ আপনারা পত্রিকায় দেখছেন, একই ফ্যামিলির তিনজন পাইছে। পুত্র ,কন্যা, শালা শালি, শশুড় ভায়রা, বোন দুলাইভাই পাইছে। এরকম ঘটনা এই জীবনে ঘটছে বলে আমি মনে করি না। এটা নিয়ে জনগণের তীব্র অসন্তোষ জনগণের মধ্যে আছে। এই অসন্তোষটা কতদূর পর্যন্ত যাবে আমি জানি না। আমি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের কাছে জবাবদিতে পারছি না। জবাবটা কি হবে আমাদের মাননীয় ডিসি ঠিক করে দিলে ভালো হয়। আমি মনে করি এই সমস্ত কাজ করে একদিকে সরকারি অর্থ নষ্ট হচ্ছে। আর একদিকে প্রশাসন একটা ব্লেম পাচ্ছে মানে তার দায়ী হচ্ছে। আর আমরা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছি আপনারা যদি জনপ্রতিনিধি জনগনের স্বার্থ রক্ষা করতে পারেন না কিসের জনপ্রতিনিধিরা।’
জেলার বিভিন্ন কমিটি প্রসঙ্গে এমপি বেলাল বলেন, ‘ জেলায় অনেক কমিটি আছে। আপনারা জানেন অনেক কমিটি। কিন্তু এমপির কয়জন প্রতিনিধি সেখানে আছে। সেখানে স্পষ্ট বলা আছে এমপি প্রতিনিধি থাকবে সেটা ও নাই। এবং সমস্ত একটা বিশেষ দল তা কুক্ষিগত করে নিয়েছে। এটা কি গণতন্ত্র। এতে কি জনগণের মতের প্রতিফলন হবে? যেখানে এমপি জনতা নির্বাচিত লক্ষ লক্ষ ভোটে।’
সিটি করপোরেশণের প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনার মিটিংয়ে না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে এমপি বেলাল বলেন, ‘ আমার কথা হলো এই আইনশৃংখলা কমিটির রিশিডিউল করা উচিত। এখানে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ওনার প্রশাসনকে থাকতে হবে। প্রশাসক যদি কোনো কারণে না আসতে পারেন উনার প্রতিনিধি থাকবে। অসুবিধা নেই । কিন্তু সিটি নিয়ে আলোচনা হবে । আর সিটি প্রশাসক নাই বা মেয়র নাই এ তো হতে পারে না। তারা আসবেন না কেন আমি বুঝি না। আমার মাথায় ঢোকে না। এমপি রা যদি থাকতে পারে। হোয়াই নট প্রশাসক হোয়াই নট মেয়র। আমি বুঝি না। হোয়াই নট পুলিশ কমিশনার তাহলে কি তারা আমাদের চেয়ে সুপেরিয়র। রুল অফ প্রিসিডেন্স। আমি থাকব ওরা থাকবে না কেন। ওরা কি বড় লাট সাহেব হয়ে গেছে। সরি এই কথা বলার জন্য। নিজেকে লাট সাহেব ভাববেন না। ইউ আর দা সার্ভেন্ট অফ দা সার্ভেন্ট অফ দা পিপল । আমি এমন কথা তো বলতে চাইনি। কিন্তু আমাদের সংক্ষিপ্ত করা হচ্ছে দিনের পর দিন। আমরা দেখছি তামাশা দেখছি আপনাদের সাত মাস ধরে দেখতেছি।’
আন্দোলনে যেতে বাধ্য করবেন না উল্লেখ করে এমপি বেলাল বলেন, ‘ আমাদেরকে সংক্ষুব্ধ করা হচ্ছে। পরিষ্কার বললাম আপরাইজিং অভুত্থানের পথ বাংলাদেশ আগের মতো নাই। যেকোনো মুহূর্তে কিন্তু অগ্নিগিড়ির মত নামবে। আমরাই সে আন্দোলন করবো। আমি সংসদেও বলছি একথা। আপনারা যদি না শোধরান। এর জন্য আবার আন্দোলন হবে। ইনশাল্লাহ বিজয় ছিনিয়ে নেব এটা মনে রাখবেন। এই ল্যান্ড সেই ল্যান্ড, যে ল্যান্ডে আবু সাইদ পয়দা হয়। এটা সেই ল্যান্ড যে ল্যান্ড তীর ধনুক নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করার মতো সাহস আমরা রাখি। এটা সেই ল্যান্ড দেবী চৌধুরানী এখানে জন্ম গ্রহণ করেছে। দিস ল্যান্ড রেভুলেশনারি ল্যান্ড। জাতির প্রয়োজনে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে আমরা জ্বলে উঠতে পারি। সেই জাগার লোক আমরা আমরা জ্বলে উঠতে পারি প্লিজ ।’
পূজাকে নির্বিঘ্ন করার বিষয়ে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়ে এমপি বলে বলেন, ‘পূজা সামনে আসতেছে। এই পূজার সামনে দিকে গোলযোগ হতে পারে। কী পলিটিক্স? দায় চাপানোর পলিটিক্স। যেখানে হলো ইনটেনশনালি একটা প্রতিমার নাক ভাঙল, ঠ্যাঙ ভাঙল, হাত ভাঙল এবং কী করল মৌলবাদী শক্তি করিয়েছে। মুখস্ত মৌলবাদীকে মানে এই জামাতের দলের লোকেরা। ইসলামকিরা। এই হাসি এভাবে চায়। মৌলবাদী, জঙ্গিবাদী। এই মৌলবাদ জঙ্গিবাদ এই কথা বলে যাওয়ার পলিটিক্স করছে। কেউ যেন এসব করতে না পারে সেই ব্যবস্থা করেন। আমি অনুরোধ করব আপনাদের ডিবির লোক যারা এই ধরনের কাজ করতে পারে তাদের আগে আগেই নজরদারিতে নিয়ে আসেন। এবং কেউ যেন এই পূজায় কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা করতে না পারে সে সুযোগ না পায় সেই ব্যবস্থা নেন। আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। সবপূজা মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা লাগান। আর যারা এই ধরনের মিসক্রিয়েন্টস আপনাদের লিস্ট আছে দুষ্ট বুদ্ধির লোক, তাদের ওপর নজরদারি করেন, যারা এই সমস্ত কাজ করতে পারে।’
এমপি বেলাল বলেন, ‘আমরা যদি সবাই সচেতন থাকি তাহলে একটা নির্বিঘ্নে আমাদের হিন্দু সমাজের ভাইয়েরা তারা পূজা করতে পারবেন আমার বিশ্বাস। এটা কোনোভাবেই তাদের ধর্মীয় কাজে ব্যাহত হোক বা বিশৃঙ্খলা হোক এটা আমরা চাই না। কাজেই এটা যেন কোনো মহল থেকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে করতে না পারে এদিকে সচেতন থাকবেন। এই আহ্বান জানাচ্ছি।
এমপি বেলাল বলেন, ‘আমার কথায় যদি কেউ আহত হন আমি মাফ চেয়ে নিচ্ছি। আমি আবেগজনিত কথা বললাম এবং দিস ইজ মাই মান ফ্রম দ্যাট কোর অব দ্য হার্ট। আমি অন্তর থেকে বললাম। দয়া করে বিশেষ দলের দালালি করিয়েন না। অন্যায়ের কাছে মাথা অবনত করিয়েন না। আপনারা সম্মানিত ব্যক্তি। আপনার ভালো একটা চেহারা দেখতে পাচ্ছেন আল্লাহ আপনাকে ইজ্জত দিছে। আল্লাহ ইজ্জতের মালিক। আপনাদের কেউ অপমান করতে পারবে না যদি আপনি ন্যায়ের পক্ষে থাকেন। ন্যায়ের পক্ষে থাকেন আমরা আপনার সাথে আছি ইনশাআল্লাহ।’
এছাড়াও, নগরীর শ্যামা সুন্দরী খাল সংস্কার, যানজট নিরসন, বালু উত্তোলন বন্ধ, মাদক বিরোধী অভিযান জোড়দার, ঢাকা কোচ স্ট্যান্ড শহরের বাইরে নিয়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কথা বলেন এমপি বেলাল।
পরে সভাপতির বক্তব্যে ডিসি ইসরাত জাহান বলেন, ‘ এখানে আবেগ তাড়িত হয়ে এত বড় ফোরামে অনেক কিছু আমরা বলেছি। তবে আমার মনে হয় যে আমাদের সকল সদস্যকেই শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে আরেকটু সতর্কভাবে কথা বলা দরকার আছে। কারণ এটি একটি জেলার সর্বোচ্চ ফোরাম। এখানে সকল সরকারি কর্মকর্তারা আছেন। সকলে এখানে যোগ্যতার ভিত্তিতে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তীর্ণ হয়ে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েছেন। আমার মনে হয় যে কাকে কিভাবে কতটুকু বলব এটার ক্ষেত্রে আমাদের সকলেরই মানে সম্মান রেখে কথা বলার সুযোগ আছে। বিশেষ করে শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে। আমরা কোন ভাষায় কি শব্দ বলব কোন জায়গায় বলব আমাদের এটি আসলে সকলের খেয়াল রাখার সুযোগ আছে।
এইচআরবি/বাতায়ন২৪ডটকম