সংবাদ শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জের থানা হাজত থেকে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সাজেকে বন্যার কবলে ২০ হাজার মানুষ, সড়ক যোগাযোগ বন্ধ লালমনিরহাটে মাদক ও জুয়ার আসামিদের পক্ষে মামলা লড়বেন না আইনজীবীরা ৭০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে, শিগগিরই বিজ্ঞপ্তি শরীর নয়, কাজ দিয়ে মূল্যায়নের আহ্বান অঞ্জলির মীর শাহে আলম ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে রাজনৈতিকভাবে নিশানা করা হচ্ছে: রাশেদ খান মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, কাঁপছে কুয়েত ও বাহরাইন আর্জেন্টিনা -মিশর ম্যাচের মতোই ভালো মানের রেফারিং চান ফ্রান্সের কোচ দেশম ফ্রান্স ম্যাচের আগে মরক্কো শিবিরে বড় ধাক্কা রংপুরে এনসিপি সমাবেশে অভিযোগ ‘ জুলাই বিপ্লবে নেতৃত্ব দানকারীদের হত্যা করতেই সাভারে হামলা’
কিশোরগঞ্জের থানা হাজত থেকে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কিশোরগঞ্জের থানা হাজত থেকে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ছবি : সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা হাজত থেকে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে নিকলী থানার হাজতখানা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট  ||কিশোরগঞ্জ || বাতায়ন২৪ডট কম   || ০৯ জুলাই ২০২৬

নিহত রুবেল মিয়া (২২) উপজেলার কারাপাশা ইউনিয়নের শহরমূল এলাকার রাজা হাওলাদারের একমাত্র ছেলে।

নিহতের বাবা রাজা হাওলাদার বলেন, ‘রুবেল আমার একমাত্র ছেলে। সে খুব আদরের ছিল। কিন্তু অল্প বয়সেই মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে আমি নিজেই তার বিরুদ্ধে মামলা করে তাকে হাজতে পাঠাই। তিন মাস কারাভোগ করেও তার কোনো পরিবর্তন হয়নি। পরে আবারও মাদকে জড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সবার সঙ্গে খারাপ আচরণ করত সে। আজও আমি নিজেই পুলিশকে খবর দিই। পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর আমি খাবার ও কাপড়চোপড় দিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম। পথে জানতে পারি সে আত্মহত্যা করেছে। এখন আবার থানায় যাচ্ছি।’

মাহবুবুর আরও জানান, একপর্যায়ে রুবেল নিজের গায়ের শার্ট খুলে হাজতের গ্রিলের সঙ্গে বেঁধে আত্মহত্যা করেন। পরে আদালতে নেওয়ার জন্য পুলিশ হাজতে গেলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা হাজত থেকে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে নিকলী থানার হাজতখানা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত রুবেল মিয়া (২২) উপজেলার কারাপাশা ইউনিয়নের শহরমূল এলাকার রাজা হাওলাদারের একমাত্র ছেলে।

নিহতের বাবা রাজা হাওলাদার বলেন, ‘রুবেল আমার একমাত্র ছেলে। সে খুব আদরের ছিল। কিন্তু অল্প বয়সেই মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে আমি নিজেই তার বিরুদ্ধে মামলা করে তাকে হাজতে পাঠাই। তিন মাস কারাভোগ করেও তার কোনো পরিবর্তন হয়নি। পরে আবারও মাদকে জড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সবার সঙ্গে খারাপ আচরণ করত সে। আজও আমি নিজেই পুলিশকে খবর দিই। পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর আমি খাবার ও কাপড়চোপড় দিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম। পথে জানতে পারি সে আত্মহত্যা করেছে। এখন আবার থানায় যাচ্ছি।’

বাতায়ন২৪.কম/ মাহমুদুল হাসান

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com