সংবাদ শিরোনাম :
রংপুরে গভীর রাতে মহানগর পুলিশ কমিশনারের কম্বল বিতরণ

রংপুরে গভীর রাতে মহানগর পুলিশ কমিশনারের কম্বল বিতরণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, রংপুর।। বাতায়ন২৪ডটকম।।

শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চল। দিনের বেলা মিলছে না সুর্য্যের দেখা। শীর শীর বাতাসে নাস্তানাবুদ দুঃস্থরা। কম্বলের জন্য চলছেন হাহাকার। শীতার্ত মানুষের মাঝে এগিয়ে এসেছে রংপুর মহানগর পুলিশ।

 

রোববার  (৪ জানুয়ারী) রাত সাড়ে ১১ টায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে দু:স্থ মানুষের মধ্যে মহানগর পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী নিজ উদ্যোগে শীতার্ত দুঃস্থদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন। এসময় বয়সি এবং দুঃস্থ শীতার্ত শতাধিক নারী  ও পুরুষের গায়ে নিজে কম্বল জড়িয়ে দেন পুলিশ কমিশনার। যারা ঘুমন্ত ছিলেন, তাদের না জাগিয়ে কম্বল গায়ে জড়িয়ে দেন তিনি।

 

এর আগে নগরীর রেলওয়ে স্টেশনে ভাসমান মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন তিনি। এসময় তার সাথে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নরেশ চাকমা, উপ-পুলিশ কমিশনার (হেড কোয়ার্টার্স) হাবিবুর রহমান, উপ পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ।

 

গেলো প্রায় ১০ দিন ধরে এই অঞ্চলে সুর্য্যের দেখা মিলছে না। চলছে শৈত্য প্রবাহ। হিম ঠান্ডায় দুঃস্থ ও দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের পড়েছেন মহা বিপাকে। কম্বলের জন্য তাদের মাঝে চলছে হাহাকার। এই সময়ে কম্বল পেয়ে  খুশি দুঃস্থরা।

 

মেডিক্যাল ক্যাম্পাসে পুলিশ কমিশনারের দেয়া কম্বল পেয়ে স্বস্তি এসেছে ষাটোর্ধ আবুল হোসেনের। তিনি জানালেন, কে দিলো কম্বল সেটা জানি না। রোগি নিয়ে এসেছি নীলফামারী থেকে। সাথে যা এনেছিলাম তা দিয়ে রোগিরই শীত নিবারণ হচ্ছে না। এই কম্বলটা পাওয়ায় রাতে অন্তত ঠান্ডা থেকে একটু নিবারণ হবে।

 

২ নং ওয়ার্ডে কম্বল পেয়েছেন সাবরিনা আখতার। তিনিও জানালেন স্বস্তির কথা। জানালেন, দেখে মনে হলো পুলিশ কম্বল দিলো। আমার খুব উপকার হলো। কারণ ৭ দিন থেকে রোগি নিয়ে এসেছে ঠাঁকুরগাঁও থেকে। এসেই ঠান্ডায় ভুগতেছি। বেশ উপকার হলো।

 

নগরীর রেল স্টেশনে ভাসমান ভিখারী আমজাদ হোসেন। তিনি জানালেন, ‘ কাই যে কম্বল গাত দিয়া দিলো। চিনলাম। আল্লাহ তার ভালো করুক।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,  প্রচন্ড ঠান্ডায় সরকারি বেসরকারি তরফ থেকে যে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। তা  প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই নগন্য।

 

কম্বল বিতরণের মাঝখানে মহানগর পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী জানান. ‘কিছু কম্বল আমরা বিতরণ করছি। আমাদের টার্গেট পঞ্চাশোর্ধ মানুষকে দেয়া। সেটাই করছি। অবস্থা খুবই ভয়াবহ। বিত্তবানদের শীতার্ত দুঃস্থদের পাশে দাড়ানো খুবই জরুরী।

 

রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম জানান, ‘ প্রতিটি ডিসির কাছে এরই মধ্যে সাড়ে ৭ হাজার করে কম্বল এসেছে। সেগুলো বিতরণ করা হচ্ছে। আরও চাদিহা পাঠানো হয়েছে।

বাতায়ন২৪ডটকম।।মেমোহি।।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com