সংবাদ শিরোনাম :
মিনিস্ট্রিয়াল হাইজিন বিষয়ে চতুর্থ শ্রেণী থেকেই পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন : রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম রংপুরে অপরাজেয় তারুণ্যের উদ্যোগে ‘ইনক্লুশন অ্যান্ড জেন্ডার ইকুইটি’ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জের থানা হাজত থেকে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সাজেকে বন্যার কবলে ২০ হাজার মানুষ, সড়ক যোগাযোগ বন্ধ লালমনিরহাটে মাদক ও জুয়ার আসামিদের পক্ষে মামলা লড়বেন না আইনজীবীরা ৭০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে, শিগগিরই বিজ্ঞপ্তি শরীর নয়, কাজ দিয়ে মূল্যায়নের আহ্বান অঞ্জলির মীর শাহে আলম ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে রাজনৈতিকভাবে নিশানা করা হচ্ছে: রাশেদ খান মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, কাঁপছে কুয়েত ও বাহরাইন আর্জেন্টিনা -মিশর ম্যাচের মতোই ভালো মানের রেফারিং চান ফ্রান্সের কোচ দেশম
৫ বছরের আসমা হত্যা মামলায় চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড।

৫ বছরের আসমা হত্যা মামলায় চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড।

ছবি : সংগৃহীত

৫ বছরের আসমা হত্যা মামলায় চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড।

নোয়াখালীর চাটখিলে পাঁচ বছরের শিশু আসমা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় একমাত্র আসামি শাহাদাত হোসেনকে (২৬) ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাতায়ন২৪ডটকম | ০৬ জুলাই ২০২৬

দীর্ঘ চার বছরের বিচারিক কার্যক্রম শেষে অবশেষে সর্বোচ্চ শাস্তির রায় পেলো ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার।

সোমবার (৬ জুলাই) সকালে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আকতার এ রায় ঘোষণা করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুক্লা সাহা রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এর আগে তিন দফা রায়ের তারিখ পরিবর্তনের পর ৬ জুলাই রায় ঘোষণার চূড়ান্ত দিন ধার্য করা হয়েছিল।

আদালত ও মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, নিহত আসমা আক্তার চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাসিন্দা মাওলানা মো. শাহজাহানের মেয়ে। সাজাপ্রাপ্ত একমাত্র আসামি শাহাদাত হোসেন একই গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে এবং নিহত শিশুটির সম্পর্কে চাচাত ভাই।

২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয় পাঁচ বছরের শিশু আসমা। নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ ৯ দিন পর, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আসামি শাহাদাতের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে আসমার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপরই শাহাদাতকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার তদন্ত চলাকালে আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে গা শিউরে ওঠা বর্ণনা দেন আসামি শাহাদাত। তিনি স্বীকার করেন, ঘটনার দিন দুপুরে তিনি শিশু আসমাকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের পর বিষয়টি সবার কাছে প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তিনি অবুঝ শিশুটিকে নির্মমভাবে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরবর্তীতে আলামত গোপন করতে মরদেহটি বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেন।

সে সময় এই পাশবিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি জানাজানি হলে নোয়াখালীজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। আসমা হত্যার দ্রুত বিচার ও আসামির ফাঁসির দাবিতে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পাশাপাশি স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোগে টানা মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বাতায়ন২৪ডটকম

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com