সংবাদ শিরোনাম :
মিনিস্ট্রিয়াল হাইজিন বিষয়ে চতুর্থ শ্রেণী থেকেই পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন : রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম রংপুরে অপরাজেয় তারুণ্যের উদ্যোগে ‘ইনক্লুশন অ্যান্ড জেন্ডার ইকুইটি’ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জের থানা হাজত থেকে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সাজেকে বন্যার কবলে ২০ হাজার মানুষ, সড়ক যোগাযোগ বন্ধ লালমনিরহাটে মাদক ও জুয়ার আসামিদের পক্ষে মামলা লড়বেন না আইনজীবীরা ৭০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে, শিগগিরই বিজ্ঞপ্তি শরীর নয়, কাজ দিয়ে মূল্যায়নের আহ্বান অঞ্জলির মীর শাহে আলম ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে রাজনৈতিকভাবে নিশানা করা হচ্ছে: রাশেদ খান মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, কাঁপছে কুয়েত ও বাহরাইন আর্জেন্টিনা -মিশর ম্যাচের মতোই ভালো মানের রেফারিং চান ফ্রান্সের কোচ দেশম
সুন্দরগঞ্জে শিশুদের পোলিও টিকা সংরক্ষণে অনিয়ম, খতিয়ে দেখার আশ্বাস উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার

সুন্দরগঞ্জে শিশুদের পোলিও টিকা সংরক্ষণে অনিয়ম, খতিয়ে দেখার আশ্বাস উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার

শিশুদের পোলিও টিকা সংরক্ষণে অনিয়ম।ছবি:বাতয়ন২৪ডটকম
শিশুদের পোলিও টিকা সংরক্ষণে অনিয়ম।ছবি:বাতয়ন২৪ডটকম

সুন্দরগঞ্জেভ শিশুদের পোলিও টিকা সংরক্ষণে অনিয়ম, খতিয়ে দেখার আশ্বাস উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সরকারি শিশু টিকাদান কর্মসূচির পোলিও টিকা সংরক্ষণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত কোল্ড চেইনের বাইরে একটি পরিত্যক্ত ঘরে টিকা সংরক্ষণ এবং ব্যবহৃত মেডিকেল বর্জ্য ফেলে রাখার অভিযোগে জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা।

বাতয়ন২৪ডটকম।। নিজস্ব প্রতিবেদক গাইবান্ধা (সুন্দরগঞ্জ) ।। ০৫ জুলাই ২০২৬

উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের উত্তর পাশে একটি সমিলের পরিত্যক্ত ঘরে গিয়ে দেখা যায়, সরকারি শিশু টিকাদান কর্মসূচির ভ্যাকসিন, ব্যবহৃত সিরিঞ্জ, সুই ও খালি ভায়াল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, টিকাদান কর্মসূচির পোর্টার ফেরদৌস প্রতিদিন টিকাদান শেষে অব্যবহৃত ভ্যাকসিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফেরত না দিয়ে নিজের মালিকানাধীন সমিলের ওই পরিত্যক্ত ঘরে রেখে দেন। পরদিন আবার সেখান থেকেই বিভিন্ন এলাকায় টিকাদান কার্যক্রমে ভ্যাকসিন নিয়ে যান।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এভাবে পরিত্যক্ত ঘরে সরকারি টিকা সংরক্ষণ করা হচ্ছে। তাদের আশঙ্কা, নির্ধারিত তাপমাত্রা ও কোল্ড চেইন বজায় না থাকলে টিকার কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে, যা শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
এছাড়া ভ্যাকসিন প্রয়োগের পর ব্যবহৃত সিরিঞ্জ, সুই ও খালি ভায়াল স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী নিরাপদভাবে অপসারণ না করে পরিত্যক্ত ঘরের বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যবহৃত সুই বা অন্যান্য মেডিকেল বর্জ্য যথাযথভাবে নিষ্পত্তি না করলে হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি এবং এইচআইভিসহ বিভিন্ন রক্তবাহিত সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, টিকাদান কর্মসূচির তদারকির দায়িত্বে থাকা এমটিইপিআই শফিউল ইসলামের ভগ্নিপতি পোর্টার ফেরদৌস। আত্মীয়তার প্রভাব খাটিয়ে অন্য একজন পোর্টারের পরিবর্তে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং তার কার্যক্রমে যথাযথ তদারকি করা হয়নি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এমটিইপিআই শফিউল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়।
এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দিবাকর বাসক বলেন, “হাসপাতালের বাইরে কোথাও পোলিও টিকা বা অন্য কোনো ভ্যাকসিন সংরক্ষণ করা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com