বাতায়ন২৪ডটকম |মালেশিয়া|
পেশাগত উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, নেতৃত্ব এবং বিশ্বব্যাপী ইসলামিক ফাইন্যান্সের বিকাশে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ ও ইসলামিক ফাইন্যান্স ও বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ ‘লিডার অব দ্য ইসলামিক ইকোনমি অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জন করেছেন।
বিশ্ব ইসলামিক ইকোনমি উইক ২০২৬-এর অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ার পার্লামেন্ট ভবনের প্রধান ব্লকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘লিডার্স অব ইসলামিক ইকোনমি অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ প্রদান করা হয়।
প্রফেসর ড. মাসুম বিল্লাহ সৌদি আরবের কিং আবদুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের সিনিয়র প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত তার একাডেমিক ও করপোরেট কর্মজীবনে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে উচ্চশিক্ষা, প্রয়োগভিত্তিক ও কৌশলগত গবেষণা, করপোরেট নেতৃত্ব, বৈশ্বিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা এবং করপোরেট ও সরকারি খাতে কৌশলগত পরামর্শের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত রয়েছেন।
তার বিশেষায়িত গবেষণার ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে ফাইন্যান্স, বিনিয়োগ, ডিজিটাল রূপান্তর, শিল্পায়ন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ এবং বিদেশি বিনিয়োগ সহযোগিতার মডেল কাঠামো। ফাইন্যান্স ও ফিনটেকের সংযোগস্থল নিয়েও তার গবেষণা বিস্তৃত। উদীয়মান হালাল ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ক্রিপ্টো-অ্যাসেটসহ আর্থিক প্রযুক্তির নতুন নতুন বিকাশ তার গবেষণার অন্যতম ক্ষেত্র।
প্রফেসর ড. মাসুম বিল্লাহ ৬৪টিরও বেশি বই রচনা করেছেন এবং ২০০টির বেশি গবেষণাপত্র ও একাডেমিক নিবন্ধ প্রকাশ করেছেন। তার প্রকাশনাগুলোতে সমসাময়িক বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রয়োগভিত্তিক ইসলামিক ফাইন্যান্স ও বিনিয়োগ এবং এর কারিগরি কাঠামো নিয়ে গবেষণা ও বিশ্লেষণ স্থান পেয়েছে।
একাডেমিয়ার বাইরেও বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যবস্থাপনা ও কৌশলগত পরিকল্পনায় করপোরেট নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।
‘লিডার অব দ্য ইসলামিক ইকোনমি অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ তার দীর্ঘ কর্মজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। এ সময়ে তিনি এশিয়া-প্যাসিফিক, আরব অঞ্চল, ইউরোপ ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, করপোরেট সংস্থা এবং সরকারি পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে গবেষণা, করপোরেট কার্যক্রম ও কৌশলগত সহযোগিতায় যুক্ত ছিলেন।
এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন অর্থনীতিবিদের বৈশ্বিক ইসলামিক অর্থনীতি ও ফাইন্যান্সের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের একাডেমিক, গবেষণা, করপোরেট ও কৌশলগত অবদানের বিষয়টি নতুন করে আন্তর্জাতিক পরিসরে আলোচনায় এসেছে।
এইচআরবি/বাতায়ন২৪ডটকম