সংবাদ শিরোনাম :
সুন্দরগঞ্জে প্রাণিসম্পদভিত্তিক আত্মকর্মসংস্থানে নবীন উদ্যোক্তাদের কর্মশালা, ওষুধ বিতরণ নারী আসনে ১৩ প্রার্থীর নাম প্রকাশ করলো জামায়াত জোট ১২তম প্রাণিবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড (রংপুর অঞ্চল)-এ প্রথম স্থান অর্জন করেছেন কারমাইকেল কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নশিন তাবাসসুম। প্রতিটি শিশুকে হামের টিকা খাওয়াতে নগরবাসির সহযোগিতা চাইলেন রংপুর সিটি প্রশাসক – ডন হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সফল করতে হবে — রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার কুড়িগ্রামে চোরাই মোটরসাইকেল চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ১০টি বাইক বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না সেই ভাইরাল ফারজানা সিঁথি দিনাজপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে স্বামী-স্ত্রীর দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার গাইবান্ধা ১৫০ শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে ভুল, এসএসসি পরীক্ষার আগে দুশ্চিন্তায় সংসদ সদস্য হচ্ছেন ফেন্সী, রংপুর উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা
শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চের পরও টেস্ট ড্র

শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চের পরও টেস্ট ড্র

ফাইল ছবি

কলকাতার ইডেন গার্ডেনে শেষ দিনে টেস্ট নিশ্চিত ড্র জেনেও যে ক’জন দর্শক এসেছিলেন খেলা দেখার জন্য, শেষ মুহূর্তের দারুণ এক রোমাঞ্চকর অনুভুতি নিয়েই ঘরে ফিরতে পেরেছেন তারা। কারণ, নিষ্প্রাণ ম্যাচটিতে শেষ বেলায় যেভাবে ভারতীয় বোলাররা লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের ওপর, চেপে বসেছিলেন- আর কিছুক্ষণ সময় পেলে তো ম্যাচটাই হয়তো জিতে যাচ্ছিলেন তারা। বিরাট কোহলিদের জন্য হতো সেটা বিরাট পাওয়া।

কিন্তু টেস্ট চলে তার আপন গতিতে। সময় শেষ হয়ে গেলে খেলাও শেষ। অবস্থায় যাই হোক না কেন, তার ওপর ভিত্তি করেই ফল নির্ধারণ। সুতরাং, সে হিসেবে নিস্প্রান ড্র দিয়েই শেষ হলো ম্যাচটি। কেউ জেতেনি, কেউ হারেওনি। শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চ ক্রিকেটকেই জয়ী করে দিয়েছে।

ইডেন গার্ডেনে সবুজ উইকেট তৈরি করেই বিপদে পড়েছিল ভারত। লঙ্কান পেসারদের গতির আগুনে পুড়তে হলো তাদের। প্রথম ইনিংসে তাই অলআউট হতে হয়েছে মাত্র ১৭২ রানে। যদিও শ্রীলঙ্কাও খুব বেশিদুর এগুতে পারেনি। ২৯৪ রানে অলআউট হয়েছিল সফরকারীরা। ১২২ রানের লিড নিতে সক্ষম হয় দিনেশ চান্ডিমালের দল।

জবাব দিতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে পুরোপুরি ভিন্ন চেহারায় ভারত। এটাই ছিল ভারতের আসল চেহারা। খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। ওপেনার শেখর ধাওয়ান ৯৪ রান করে আউট হন। ৭৯ রান করেন আরেক ওপেনার লোকেশ রাহুল। বিরাট কোহলি করেন অপরাজিত সেঞ্চুরি। তিনি নট আউট থাকেন ১০৪ রানে।

৮ উইকেট হারিয়ে দলীয় ৩৫২ রানে ইনিংস ঘোষণা করে ভারত। ফলে জয়ের জন্য শ্রীলঙ্কার সামনে দাঁড়িয়ে যান ২৩১ রানের লক্ষ্য। এই লক্ষ্য তাড়া করে জয় সম্ভব নয়। কারণ সময় ছিল খুব কম। নিশ্চিত ড্রয়ের ম্যাচ। কিন্তু ব্যাট করতে নেমে উল্টো ভারতীয় পেসারদের তোপের মুখে দিশেহারা হয়ে পড়ে লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা। ভুবনেশ্বও কুমার আর মোহাম্মদ শামি যেন মুর্তিমান আতঙ্ক। একের পর এক উইকেট তুলে নিতে শুরু করেন তারা। ভুবনেশ্বর নেন ৪ উইকেট। শামি নেন ২টি। ১টি নেন উমেষ যাদব।

৭ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কা যখন দিন শেষ করে স্কোরবোর্ডে তাদের রান ৭৫। ভাগ্যিস দিন শেষ হয়ে গিয়েছিল। আর কিছুক্ষণ থাকলে পরাজয়ই বরণ করতে হতো তাদের।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com