সংবাদ শিরোনাম :
বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবি হলেন রংপুরের আরিফুল ইসলাম  প্রধানমন্ত্রীর উপহারের টাকা পেলেন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা সাংবাদিকদের কল্যাণে বর্তমান সরকার বৃহত কর্মসূচি প্রণয়ন করবে: বাছির জামাল রাশিয়ান মডেল মনিকার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা মার্কিন ঘাঁটি বন্ধ না হলে হামলা, হরমুজ বন্ধ থাকবে : প্রথম বক্তৃতায় মোজতবা খামেনি বাগেরহাটে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ১২ ঈদ যাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে আরপিএমপির সাব-কন্ট্রোল রুমের উদ্বোধন ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন শনাক্ত করতে পারছে না ইসরায়েল গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সংসদ সদস্যদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান মোশাররফের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার ও বিরোধী দল গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে, আশা স্পিকারের
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মুজাহিদের পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মুজাহিদের পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী

 স্টাফ করেসপনডেন্ট, রংপুর।। বাতায়ন২৪ডটকম

রংপুরের পীরগঞ্জের পাঁচগাছির পানেয়া গ্রামে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত  সৈনা সদস্য মুজাহিদের বাড়িতে সেনাবাহিনীর আর্থিক অনুদান ও উপহার সামগ্রী নিয়ে উপ¯ি’ত হন বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) সদর দপ্তর মহাস্তান রেজিমেন্ট রাজশাহীর সেনা টিম। বুধবার বিকেল ৩ টায় জানাযা শেষে সৈনাবাহিনী পক্ষ থেকে মেজর মাশকুর রহমান রওনক নিহতের পরিবারে হাতে নগদ অর্থ ও  রেশন সামগ্রী তুলে দেন। এ সময় মেজর মাশকুর রহমান রওনক বলেন, মুজাহিদ নিহতের খবরে আমরা সেনা পরিবার শোকাহিত হয়েছি।

বাবা মার স্বপ্ন পূরণের আগেয় চলে গেলেন না ফেরার দেশে। মাতা মুক্তা বেগম ছেলের আকর্ষিক সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যু মুজাহিদ। সৈনাবাহিনীর চাকুরীর প্রশিক্ষণ শেষে বাড়িতে আসে সৈনিক মুজাহিদ। ৭ই ফেব্রেয়ারী ২০০২৫শে চট্রগ্রামের সেনা ক্যান্টরমেন্টে যোগদান করার কথা ছিল সৈনিক মুজাহিদের। তার চাকুরীর যোগদানে দোয়ার অনুষ্ঠানে মামার বাড়ি রাধাকৃষ্ণপুর দাওয়াত দিতে যান মুজাহিদ। দাওয়াত দেয়া শেষে পীরগঞ্জে জামতলা মাদ্রাসার কোন এক বন্ধুর সাথে দেখা করতে যান মুজাহিদ। দেখা শেষে গত সোমবার বিকেল বেলা পীরগঞ্জ মহাসড়কের তেলের পাম্পের কাছে দুইটি মটর সাইকেলের সংঘর্ষে নিহত হন সৈনিক মুজাহিদ।

মুজাহিদের জন্ম রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নের পানেয়া গ্রামে। বাবা-মার দীঘদিনের স্বপ্ন  ছিল নিহত মুজাহিদ সেনাবাহিনীতে চাকুরী করেবে।  স্বপ্নের খুব কাছ-কাছি এসে স্বপ্ন পূরর্ণ না হওয়ায় মা কাঁদতে কাঁদতে নির্বাক হয়ে গেছে।

মা মুক্তা বেগম কাঁদতে কাঁদতে বলে ছেলে চাকুরীতে যোগদানে আমাদের বাড়িতে একটি উৎসব মত আনন্দ শুরু হয়েছিল। সেই আনন্দ এক দূর্ঘটনায় কেড়ে নিল।

বাবা আতোয়ার রহমান বলেন, আমি অন্যের বাড়িতে কামলা দিয়ে ছিলেকে বিএনসিতে  ভর্তি করে দেই। ছেলেকে নিয়ে আমার অনেক বড় স্বপ্ন ছিল। সেই বাবা আমার চাকুরীর সুখ না পেয়ে আমাদের ছেড়ে চলে গেল। আল্লাহ সুখ দিয়েও আমার সুখ কেড়ে  নিল।

 

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com