সংবাদ শিরোনাম :
তেলের অজুহাতে বেরোবিতে অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ সৈয়দপুরে বিহারি ক্যাম্পে ৬৬ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া চোখে কম দেখি, সময় পেলে পারতাম : বঞ্চনার শিকার মিতু এভারকেয়ার হাসপাতাল চট্টগ্রামে ইএনটি বিভাগে যোগ দিলেন ডা. আদনান গুম-নির্যাতের পেছনে দায়ী শেখ হাসিনা : জেরায় সাক্ষী পুলিশের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে বড় রদবদল রংপুর ও কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারসহ চার কর্মকর্তাকে বদলি করেছে সরকার। রংপুরে গণ পরিবহনের ভাড়া পুন নির্ধারন ও দোকান খোলা রাখার সময় বৃদ্ধির দাবিতে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি মূল্যবৃদ্ধির পরও ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘলাইন দীর্ঘলাইন দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড – প্রথম দিনে অনুপস্থিত ১১৭৮ জন, বহিস্কার এক
গুম-নির্যাতের পেছনে দায়ী শেখ হাসিনা : জেরায় সাক্ষী

গুম-নির্যাতের পেছনে দায়ী শেখ হাসিনা : জেরায় সাক্ষী

গুম-নির্যাতের পেছনে দায়ী শেখ হাসিনা : জেরায় সাক্ষী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ।। বাতায়ন২৪ডটকম।।

 

র‌্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম-নির্যাতনের পেছনে শেখ হাসিনা দায়ী নন বলে দাবি করেছেন তার পক্ষে সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া রাষ্ট্রনিযুক্ত (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী আমির হোসেন। তবে তার দাবি প্রত্যাখ্যান করে ক্ষমতাচ্যুত এই প্রধানমন্ত্রীকেই দায়ী করেছেন সাক্ষী মাসরুর আনোয়ার চৌধুরী। 

বুধবার (২২ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ জেরা অনুষ্ঠিত হয়। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ।

টিএফআই সেলে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন নম্বর সাক্ষী হিসেবে গত ১৯ এপ্রিল জবানবন্দি দেন মাসরুর আনোয়ার। ২০২০ সালে গুমের শিকার হয়েছিলেন বলে সাক্ষ্যে উল্লেখ করেছেন তিনি। ২০ এপ্রিল তার প্রথম দিনের জেরা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় দিনের মতো জেরা শেষ করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

এদিন এ মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হয়ে জেরা করেন আমির হোসেন। মাসরুরকে গুম-নির্যাতন ও ক্যারিয়ার নষ্টের জন্য তার মক্কেল শেখ হাসিনা দায়ী নন বলে দাবি করেন তিনি। একইসঙ্গে ক্যারিয়ার নষ্টের জন্য সাক্ষী নিজেই দায়ী বলে উল্লেখ করেন। এছাড়া ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের হওয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অসত্য সাক্ষ্য দিয়েছেন।

জবাবে মাসরুর বলেন, গুম-নির্যাতন ও আমার ক্যারিয়ার নষ্ট করার জন্য শেখ হাসিনাই দায়ী। কোনোভাবেই আমি দায়ী নন। ট্রাইব্যুনালে অসত্য কোনো সাক্ষ্য দেইনি।

এ মামলায় ১৭ আসামির মধ্যে সাবেক-বর্তমান ১০ জন সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার হয়ে ঢাকার সেনানিবাসের সাব-জেলে রয়েছেন। তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

তারা হলেন- র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

 

শেখ হাসিনা ছাড়া পলাতক অন্যরা হলেন- শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, র‌্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ ও র‌্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম।

ট্রাইব্যুনালে আজ প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী, তাসমিরুল ইসলাম উদয়, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যরা।

বাতায়ন২৪ডটকমর্/ আদিল আশরাফিল আবিদ

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com