স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, রংপুর।। বাতায়ন২৪ডটকম।।ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি এমএম মুসার বিরুদ্ধে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সভাপতি পদের জন্য ১০ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ করেছে সভাপতি পদ প্রার্থী মোঃ ইমরান। । তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মুসা বলেছেন এটা গুপ্ত সংগঠন শিবিরের অপপ্রচার।
বৃহস্পতিবার ( ৪ ডিসেম্বর) বিকেলে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ১১ তম ব্যাচের গণিত বিভাগের শেষ সেমিস্টারের ছাত্র মোঃ ইমরান।
সংবাদ সম্মেলনে ইমরান অভিযোগ, করেন, ‘ কমিটি গঠনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের টিম লিডার সহ- ভাপতি এম এম মুসা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আদনান, তাইজুলসহ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাসির হোসেন ও আরও কয়েকজন নেতা বেরোবি শাখা ছাত্রদলের কমিটি গঠনে সরাসরি আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেছেন।

ইমরান আরও দাবি করেন, টিম লিডার এমএম মুসা তার কাছ সভাপতি পদ নিশ্চিত করার জন্য ১০ লাখ টাকা দাবি করেছিলেন। এছাড়াও ২০ লাখ টাকা দিলে পুরো কমিটি তার নিয়ন্ত্রণে দেয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। কিন্তু আমি বলেছি আমি ছাত্র রাজনীতি করি, টাকা দেবো কেন। তখন তিনি আমার শত্রু হন। পরে অন্যদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কেন্দ্রীয় দায়িত্বপ্রাপ্তরাসহ মিলে ছাত্রলীগ এবং অযোগ্যদের নিয়ে কমিটি দিয়েছেন। যা সবাই প্রত্যাখ্যান করেছে। ‘
সংবাদ সম্মেলনে ইমরান দাবি করেন, ‘ সভাপতির জন্য আমি টাকা দেই নি। তবে টিম লিডারসহ অন্যান্যরা যখন রংপুর আসেন। তারা অনেকদিন নর্ থভিউ হোটেলে থাকেন এবং খাওয়া দাওয়া করেন। তখন মুসা ভাই আমাকে হোটেল ভাড়া, খাওয়া ও যাতায়াতের খরচ চান। তখন বিভিন্ন সময়ে আমি তাকে ২ লাখ টাকাও দিয়েছি।’
সংবাদ সম্মেলনে ইমরান আরও বলেন, ‘ টাকার বিনিময়ে দেয়া কমিটি বাতিল করে বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তারেক রহমানসহ কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কাছে আহবান জানান। তা নাহলে বেরোবিতে ছাত্রদল প্রতিষ্ঠিত হবে না বলেও দাবি করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন টিম লিডার ও কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এমএম মুসা। তিনি জানান, ১০ লাখ ২০ লাখ কেন এক টাকা চাওয়া অথবা নেয়ার প্রমাণ দেখাতে বলেন। মোঃ ইমরানের ছাত্রত্ব না থাকায় তাকে কমিটিতে রাখা হয় নি। তার বিরুদ্ধে এটা গুপ্ত সংগঠন ছাত্রশিবিরের অপপ্রচার। যা ইমরানকে দিয়ে করানো হচ্ছে।’
তবে ছাত্রদল সভাপতি পদ প্রার্থী মোঃ ইমরান দাবি করেছেন, তিনি ১১ তম ব্যাচের গণিত বিভাগের শেষ সেমিস্টারের ছাত্র। তিনি ইনপ্রুভ দিবেন। প্রমান হিসেবে তিনি ব্রাকসুর ভোটার তালিকায় থাকার ডকুমেন্ট ও ছাত্রত্ব থাকার বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর কমলেশ চন্দ্র রায়ের দেয়া প্রত্যয়ন পত্রও দেখিয়েছেন। তা নাম আইডি নম্বর ২২২০৪০৫৯।