সংবাদ শিরোনাম :
বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবি হলেন রংপুরের আরিফুল ইসলাম  প্রধানমন্ত্রীর উপহারের টাকা পেলেন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা সাংবাদিকদের কল্যাণে বর্তমান সরকার বৃহত কর্মসূচি প্রণয়ন করবে: বাছির জামাল রাশিয়ান মডেল মনিকার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা মার্কিন ঘাঁটি বন্ধ না হলে হামলা, হরমুজ বন্ধ থাকবে : প্রথম বক্তৃতায় মোজতবা খামেনি বাগেরহাটে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ১২ ঈদ যাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে আরপিএমপির সাব-কন্ট্রোল রুমের উদ্বোধন ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন শনাক্ত করতে পারছে না ইসরায়েল গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সংসদ সদস্যদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান মোশাররফের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার ও বিরোধী দল গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে, আশা স্পিকারের
রংপুরে কবরের মাটি তোলা নিয়ে বিরোধ: সংঘর্ষে নিহত ১

রংপুরে কবরের মাটি তোলা নিয়ে বিরোধ: সংঘর্ষে নিহত ১

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, রংপুর।। বাতায়ন২৪ডটকম।।

রংপুরের তারাগঞ্জে কবরের মাটি তোলা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে একজন মারা গেছে। তার নাম খালেকুজ্জামান (৪২)।

শনিবার (১ নভেম্বর) সন্ধায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তিনি উপজেলার হাঁড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের কিসামত মেনানগর বড়বাড়ি গ্রামের মৃত আশরাফ আলী পুত্র।

প্রাথমিক তদন্তের উদ্ধৃতি দিয়ে তারাগঞ্জ থানার ওসি এম এ ফারুক জানান, উপজেলার হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের কিসামত মেনানগর বড়বাড়ি গ্রামের আবদুল জব্বারের সাথে স্থানায় খালেকুজ্জামান ও তার ভাইদের ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) ফজরের নামাজ শেষে নিহত খালেকুজ্জামানের ভাই আবদুল ছালেক বাড়ির পাশে তাঁদের দাদির কবর জিয়ারত করতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান, কবরের মাটি তুলে নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে তাঁর সঙ্গে আবদুল জব্বারের পুত্র বাবু মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে বাবু মিয়া, তাঁর ভাই লেবু মিয়া, দুলাল মিয়া ও চান মিয়া মিলে আবদুল ছালেককে মারধোর করেন।

খবর পেয়ে ছুটে যান আবদুল ছালেকের ভাই খালেকুজ্জামান ও মাহবুবুর রহমান। এরপর তাঁরাও হামলার শিকার হন। এ সময় খালেকুজ্জামানের মাথায় খুন্তি দিয়ে আঘাত করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (১ নভেম্বর) বিকেলে খালেকুজ্জামান মারা যান।

 খালেকুজ্জামানের মা ছালেমা বেগম জানান, খালেকুজ্জামানের সহায়-সম্বল বলতে ৩০ শতক জমি ছাড়া কিছুই ছিল না। দিনমজুরের কাজ করে স্ত্রী, দুই সন্তানসহ পাঁচ সদস্যের সংসার চালাতেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশাহারা।

নিহতের ভাতিজা জান্নাতুল ইসলাম জানান, ‘ আমার নির্দোষ চাচারে মাইরা ফেলছে। আমার বাবাও হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়তেছে। আমরারে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিছে। আমরা খুনির বিচার চাই, আমার চাচার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই।’

তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএ ফারুক বলেন, লাশ ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।   এ ঘটনায় মৃতের ভাই মাহবুবুর রহমান বাদি হয়ে ৯ জনকে আসামী করে মামলা করেছেন। আসামীদের গ্রেফতারে অভিয়ান চলছে।

বাতায়ন২৪ডটকম।। মেমোহি।।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com