সংবাদ শিরোনাম :
সুন্দরগঞ্জে প্রাণিসম্পদভিত্তিক আত্মকর্মসংস্থানে নবীন উদ্যোক্তাদের কর্মশালা, ওষুধ বিতরণ নারী আসনে ১৩ প্রার্থীর নাম প্রকাশ করলো জামায়াত জোট ১২তম প্রাণিবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড (রংপুর অঞ্চল)-এ প্রথম স্থান অর্জন করেছেন কারমাইকেল কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নশিন তাবাসসুম। প্রতিটি শিশুকে হামের টিকা খাওয়াতে নগরবাসির সহযোগিতা চাইলেন রংপুর সিটি প্রশাসক – ডন হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সফল করতে হবে — রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার কুড়িগ্রামে চোরাই মোটরসাইকেল চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ১০টি বাইক বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না সেই ভাইরাল ফারজানা সিঁথি দিনাজপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে স্বামী-স্ত্রীর দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার গাইবান্ধা ১৫০ শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে ভুল, এসএসসি পরীক্ষার আগে দুশ্চিন্তায় সংসদ সদস্য হচ্ছেন ফেন্সী, রংপুর উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা
৭ মার্চের ভাষণ লিখিত ছিল না : প্রধানমন্ত্রী

৭ মার্চের ভাষণ লিখিত ছিল না : প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ লিখিত ছিল না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইউনেসকো কর্তৃক ৭ মার্চের ভাষণকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ডকুমেন্ট স্বীকৃতি প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, পৃথিবীর অনেক নেতাই অনেক ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই ভাষণগুলো ছিল লিখিত। একটি মাত্র ভাষণ যার কোনো লিখিত ছিল না। এমনকি নোটও ছিল না। প্রতিটি কথাই তিনি বলে দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি জাতিকে তিনি জাগ্রত করেছিলেন আন্দোলন-সংগ্রামে। সেদিনের ভাষণের কথা মনে হলেই আমার মনে পড়ে আমার মায়ের কথা।

তিনি বলেন, অনেক লিখিত বক্তব্য বাবার হাতে দেয়া হয়েছিল। মা বাবাকে বলেছিলেন, তুমি সেই কথা বলবে, যা তোমার মনের কথা।

বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে ভাষণ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বক্তব্যের শুরুতেই স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনে বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট নিহত বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্য এবং জেলহত্যার শিকার ৪ জাতীয় নেতার প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি।

এর আগে শনিবার দুপুর ২টা ৩৯ মিনিটে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন। নৌকার আদলে নির্মিত মঞ্চে দাঁড়িয়ে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতিত্ব করেন ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

এর আগে সকাল থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আওয়ামী লীগ, এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন, বিভিন্ন সামাজিক ও ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ব্যানার নিয়ে সমাবেশে আসতে শুরু করে। দুপুরের মধ্যেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। সমাবেশস্থল ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের আদলেই সাজানো হয়।

এসময় বাংলা একাডেমি চত্বরে ঢাকা লিট ফেস্টও চলে সুশৃঙ্খলভাবে। তিন দিন ব্যাপি এ উৎসবের আজ শেষদিন। একদিকে নাগরিক সমাবেশ অন্যদিকে চলে আন্তর্জাতিক সাহিত্য উৎসব।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved © batayon24
Design & Developed BY ThemesBazar.Com